সাংবাদিক গুরু আহমেদ হুমায়ূন ও স্মৃতি বিস্মৃতি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শিশু সাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম

দৈনিক বাংলা ভবনে আমি বছর পাঁচেক চাকুরি করেছিলাম। ফিচার বিভাগে। আমি আর ধ্রুব এষ। ধ্রুব প্রতিদিন আসতো না। সপ্তাহে দুইদিন। ছবি আঁকতো। মেকআপ দিতো।

আমাদের চাকুরি দিয়েছিলেন প্রয়াত বিখ্যাত সাংবাদিক, কলামিস্ট, প্রাবন্ধিক আহমেদ হুমায়ূন। তখন তিনি দৈনিক বাংলার সম্পাদক। সাল ১৯৯১। দৈনিক বাংলার কিছু ফিচার পাতা তখন চাররঙা ছাপা শুরু হয়েছে। পত্রিকার পাতায় পরিবর্তনের হাওয়া। একদা দৈনিক বাংলায় ‘সাত ভাই চম্পা’ শিরোনামে ছোটদের পাতা প্রকাশিত হতো। সম্পাদনা করতেন আফলাতুন। দৈনিক বাংলার সাহিত্য পাতা সম্পাদনা করতেন কবি আহসান হাবীব। সে এক স্বর্ণালি সময়। খ্যাতিমান সাংবাদিকরা সবাই দৈনিক বাংলাকে ঘিরেই কাজকর্ম করতেন। খ্যাতিমান কবি-সাহিত্যিকও নানা ধরনের কাজে দৈনিক বাংলায় যুক্ত ছিলেন। পরে দৈনিক বাংলাকে ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রযন্ত্র অতি ব্যবহার করে অ-জনপ্রিয় ও সরকারি মুখপত্রে পরিণিত করে। জিয়াউর রহমান কিংবা এরশাদের আমলে দৈনিক বাংলার সুদিনে শেষ কুঠারবিদ্ধ করা হয়। প্রেস ট্রাস্টের পত্রিকা। তাই সরকারি ভর্তুকির অভাব নাই। ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন হয়। কিন্তু পত্রিকা আর পাঠকের ভালোবাসা ফিরে পায় না। এই একই ভবন থেকে শাহাদত চৌধুরী সম্পাদিত বিচিত্রা ও আনন্দ বিচিত্রা প্রকাশিত হয়। এই দুটো সাপ্তাহিক ও পাক্ষিকের জনপ্রিয়তা ভাটা পড়েনি। এরা সরকারি মুখপত্র হয়ে ওঠেনি।

আহমেদ হুমায়ূন

এইরকম নামিদামি ভবন থেকে একদিন ডাক পেলাম। আহমেদ হুমায়ূন আমাদের দেখা করতে বলেছেন। অন্তরাত্মা কেঁপে উঠলো। তখন আমরা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে কাজ করি। ‘আসন্ন’ নামের কিশোর তরুণদের উৎকর্ষধর্মী পত্রিকার সম্পাদনা করি। বই অনুবাদ করি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লাইব্রেরিতে  দিনমান বই পড়ি। কম পয়সায় কেন্দ্রের ক্যান্টিনে সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা পেটপূর্তি হয়। কেন্দ্র আমাদের নিরাপদ আশ্রয়। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আমাদের সকল অত্যাচার নিরবে সহ্য করেন। সায়ীদ স্যারের সান্নিধ্য আর বই পাঠ আমাদের জীবনকে আলোকিত করে তুলেছে।

তাই সৎ সাহস নিয়ে এক দুপুরে দৈনিক বাংলা ভবনের দোতলায় উপস্থিত হলাম। আহমেদ হুমায়ূন তখন রিপোর্টারদের নিয়ে মিটিং করছেন। দ্রুত মিটিং শেষ। আহমেদ হুমায়ূন অতিদ্রুত সব সিদ্ধান্ত দিতেন। যে কোন স্ক্রিপ্ট খুব দ্রুত পড়তে পারতেন। লন্ডনে সাংবাদিকতায় উচ্চতর অধ্যয়নের সময় তিনি দ্রুত পাঠ, দ্রুত সম্পাদনা এসব শিখেছিলেন। দৈনিক পত্রিকার কাজে দ্রুততা খুব জরুরী বিষয়।

আহমেদ হুমায়ূনের ঘরটার দিকে তাকিয়েই আমি অভিভূত হয়ে গেলাম। খুব সাধারণ আসবাবপত্র। ঘরভর্তি বই আর পত্র-পত্রিকার স্তুপ। বই ও পত্র পত্রিকার মাঝখানে দীর্ঘদেহী পুরু ফ্রেমের চশমা পরিহিত আমাদের প্রিয় সাংবাদিক আহমেদ হুমায়ূন বসে আছেন। জলদ গম্ভীর কণ্ঠস্বর। গম্ভীরতার আড়ালে  পরিহাসপ্রিয় এক চরিত্র।

আমাদের বসিয়ে প্রথমেই প্রসঙ্গ তুললেন বাংলা শিশুসাহিত্য নিয়ে। ১৯১৫ সালে (সম্ভবত) প্রকাশিত উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরীর ‘সন্দেশ’ পত্রিকার কথা তুললেন। জানালেন, প্রথম বর্ষের পুরো বারোটি সংখ্যা বাঁধাই করা আছে তাঁর কাছে। শুনে আমার ভিরমি খাওয়া অবস্থা। আরো বললেন, সেই প্রথম দিকের সন্দেশে বাবু কুলদারঞ্জন রায় ভ্রমণ কাহিনী লিখতেন। তার নাম শুনেছ?

আমি তখন উত্তেজিত। শিশুসাহিত্য নিয়ে যিনি এতোকিছু জানেন, আমি মুহুর্তে তার মুগ্ধ ভক্ত হয়ে গেলাম। কুলদারঞ্জন রায়ের লেখা আমার পড়া ছিলো। তিনি শিকার কাহিনী লিখতেন। ভালো ক্রিকেট খেলতেন। তার ভাইও ক্রিকেটার। সারদারঞ্জন রায়। এরা উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরীর ভ্রাতা। সুকুমার রায় তার সুযোগ্য পুত্র।

আহমেদ হুমাযূন জানালেন, লীলা মজুমদারের সব ভূতুড়ে তার প্রিয় বই। শিবরাম চক্রবর্তী ও নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাসির গল্প তার খুব প্রিয়। আমার চোখ তখন ছানাবড়া। তাকে খুব কাছের মানুষ মনে হচ্ছে। যে সব বিষয় নিয়ে আমরা উৎসাহী, আহমেদ হুমায়ূন সেই সব বিষয়ে অনায়াসে কথা বলে যাচ্ছেন।

লন্ডনের টমসন ফাউন্ডেসনে

পরে জেনেছি, তিনি অনুবাদক ছড়াকার হিসাবেও খ্যাতিমান। ছদ্মনামে ষাটের দশকে এডোওয়ার্ড লিয়রের ছড়া সম্ভবত তিনিই প্রথম অনুবাদ করেছেন। ষাট দশকে ‘বিপরীত স্রোতে রবীন্দ্রনাথ’ লিখে প্রাবন্ধিক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। সচেতন পাঠক মাত্রই জানেন যে, তাঁর কলাম ‘নগর দর্পন’ এখনও সজীব ও সুন্দর কলাম হিসাবে বিবেচিত। ‘আলেফ মিয়া’ সিরিজের কথাও কেউ বিস্মৃত হবেন না। কেউ বিস্মৃত হবেন না ‘সিঙ্গেল কলাম ডাবল কলাম’র কথা। এসব তো আহমেদ হুমায়ূনের নিজের রচনা। তিনি আমাদের ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’র প্রথম পৃষ্ঠা মুখস্থ শোনালেন। সঞ্জয় ভট্টাচার্যের ‘পূর্বাশা’, হমায়ূন কবীরের ‘চতুরঙ্গ’ নিয়ে তিনি আলোচনা শুরু করলে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনেছি। একসময় বেফাঁস আমি বলে ফেললাম, ‘স্যার এতোকিছু আপনি জানেন কিভাবে?’ আমি তো এসব পত্রিকা কিছু কিছু দেখেছি। উল্টেপাল্টে দেখেছি।

তিনি উল্টো ধমক দিলেন, ‘আমরা তো জানবোই। কিন্তু তোমাদের জেনারেশন তো এসব জানার কথা নয়।’

তারপর পানির বোতল মুখে তুলে চুমুক দিলেন। পরে জেনেছি এই বোতলে সোমরস থাকতো। সারাদিন তিনি অফিসে মাঝে মাঝে কাজের ফাঁকে সেই শুদ্ধজল পান করতেন। কোন সংস্কারে আচ্ছ্বন্ন ছিলেন না। প্রচুর পড়াশোনা করতেন। পদার্থ বিজ্ঞানে অধ্যাপনা করেছেন। আবার সাংবাদিকতাও পড়েছেন। আর সাহিত্য তো তার প্রিয় অধীত বিষয়। ইংরেজি ও বাংলা সাহিত্য পূর্ণাঙ্গ পাঠ করেছিলেন। সাধারণ জীবন যাপন করতেন। শামুকের মতো নিজেকে গুটিয়ে রাখতেন। নিজেকে জাহির করতেন না। প্রচার-প্রদীপের তলায় ঘোরাঘুরি করতেন না। খুব নিরঅহংকারী ও বিনয়ী ব্যক্তি। চরিত্রে এক ধরনের মধুরতা ছিলো। জ্ঞানচর্চার আলো তার সর্বাঙ্গে মিশ্রিত। আধাঘণ্টা তিনি আমাদের সময় দিলেন। বিশাল ব্যাপার। আমার সাক্ষাৎকার নিলেন সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে। তিনি গল্প করলেন। আর আমি যে তার বিষয় ধরে ধরে সাড়া দিতে পারলাম এতেই তিনি খুব খুশি হলেন। পরে তিনি তার জ্যেষ্ঠপুত্র লেখক, সাংবাদিক, নাট্যকার ইরাজ আহমেদকে অনেকবার বলেছেন, ‘আমীরুল অনেক খোঁজ-খবর রাখে। অনেক মেধাবি ছেলে। সাংবাদিকতার লাইনে থাকলে অনেকদূর যেতে পারবে।

তাঁর এই আশির্বাণী আমি মাঝেমধ্যেই স্মরণ করি। তাঁর মুখে প্রশংসা অর্জন আমার জীবনের পাথেয়। আমি তাঁর মন্তব্যকে জীবনের অন্যতম সাফল্য মনে করি। প্রথম দিনের সেই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাতে শেষ দশ মিনিটে তিনি বুঝিয়ে দিলেন ছোটদের পাতা কেমন হওয়া দরকার। তিনি বললেন, দাদাভাই, দাদুভাই, মিতাভাই, বাগবানভাই এসব বড় সেকেলে ব্যাপার। পাতার নাম হবে কিশোরদের পাতা। খুব ছোটরা পত্রিকা পড়ে না। কিশোরদের পাতায় কোন ছেলেমানুষী থাকবে না। আশা করবো, তোমরাও ছেলেমানুষী করবে না।

সঙ্গে ছিলো ধ্রুব এষ। এতোক্ষণ সব শুনলো। ধ্রুবও শিশুসাহিত্যের মনষ্ক পাঠক। ধ্রুবও স্তম্ভিত। আহমেদ হুমায়ূন ধ্রুবকে বললেন, চার রঙের পাতা। তোমাদের কারিগরি সহযোগিতা করবেন প্রেস ম্যানেজার আলী সাহেব। ছবি প্রসেস হবে  বাইরে থেকে। তোমরা একদিন আগেই প্রেস কপি ও ছবি পাঠিয়ে দেবে।

আমেরিকা ভ্রমণকালে

আমরা সবকিছুতেই রাজি। আমাদের কোন দ্বিধা নাই। আমরাও চাই দৈনিক পত্রিকার পাতায় একটা নতুন ধরণের কিশোরপাতা। এটা তো আমাদের স্বপ্ন। আহমেদ হুমায়ূনকে আমরা বললাম, আমাদেরও স্বপ্ন একটা নতুন ও আধুনিক ছোটদের পাতা উপহার দেওয়ার। আপনার সহযোগিতা পেলে আমরা সফল হবো।

হ্যাঁ। আমিও তোমাদের সহযোগিতা চাই।

আহমেদ হুমায়ূন পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন আমাদের। বাংলাদেশের পত্রিকার ইতিহাসে প্রথম চাররঙা পাতা। প্রথমে এক পৃষ্ঠা। তার অল্পকিছু দিনের মধ্যেই সেটা দুই পৃষ্ঠা হলো। বলতে নেই, নিজের আত্মপ্রচার হয়ে যাবে। কিছুদিনের মধ্যেই কিশোরদের পাতা সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠলো। দুই পৃষ্ঠা থেকে পাতা চার পৃষ্ঠা দখল করলো।

সবই আহমেদ হুমায়ূনের বদন্যতা। তাঁর আইডিয়া। তাঁর দ্রুত সিদ্ধান্ত। প্রথম দিনের মিটিং হয়েছিলো দুপুরে। মিটিং মানে গল্পগুজব। শেষে তিনি আমাদের দু’জনের উদ্দেশ্যে বললেন, তোমাদের সঙ্গে গল্প করে আনন্দ পেয়েছি। আজ রাত নয়টায় তোমরা দুজন আমার সঙ্গে ডিনার করবে।

আমরা খুব লজ্জিত। লজ্জায় জড়োসড়ো হয়ে বললাম, স্যার ডিনারের ঝামেলা দরকার নাই।

না, না। অবশ্যই আসবে। আমার মায়ের হাতের গরুর মাংস ভুনা আসবে। দেখো, কী চমৎকার রান্না।

আমি আর ধ্রুব এষ রাতে গেলাম। আহমেদ হুমায়ূন নিজরুমে নিজ হাতে আমাদের খাবার বেড়ে দিলেন। অসাধারণ রান্না। তিনি প্রচন্ড মাতৃভক্ত ছিলেন। সারাজীবন মায়ের সঙ্গে একত্রে ছিলেন। নিজে মায়ের রান্না খুব পছন্দ করতেন। আমার আর ধ্রুবর সৌভাগ্য, আহমেদ হুমায়ূনের প্রিয়তম জননীর উপাদেয় রান্নার স্বাদ আমরা গ্রহণ করেছি।

প্রিয় ছিলো ধূমপান

আমাদের সাংবাদিক মহলে গত পঞ্চাশ বছরে অনেক গুণী ও সফল সাংবাদিক এসেছেন যাদের শিক্ষক ও গুরু স্বয়ং আহমেদ হুমায়ূন। সংবাদের হেডিং, ভাষার সৌন্দর্য্য, রিপোর্টিংয়ের পরীক্ষণ-নীরিক্ষণের ব্যাপারে তাঁর দক্ষতা অতুলনীয়। খুব সুক্ষ্মভাবে তিনি ভুলত্রুটি ধরে দিতেন। আহমেদ হুমায়ূনের মত বড় মানের সম্পাদককে অনুভব ও উপলব্ধি করতেও জ্ঞানবুদ্ধি থাকা প্রয়োজন। আমরা পূর্ণাঙ্গভাবে অনুভবও করতে পারিনি। তাঁকে  আবিষ্কার করা আরো কঠিন।

আহমেদ হুমায়ূনের সঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাদের আরও সমৃদ্ধ করেছে। তিনি অসাধারণ শিক্ষক। কোন ধারণাকে তিনি জোর করে চাপিয়ে দিতেন না। ব্যর্থতাকে সামনে আনতেন না। সফলতাকে বড় করে তুলতেন। আমাদের বড় বড় ভুলত্রুটিকে উপেক্ষা করতেন। কাজ ভালোবাসতেন। কাজের মানুষদেরও পছন্দ করতেন।

দৈনিক বাংলায় তখন নানামুখী স্রোতধারা। সম্পাদক হিসাবে সব একা সামলাতেন। আমার আর ধ্রুবর ব্যাপারেও অনেক বিরোধীতা হতো ভেতরে বাইরে। আমরা আওয়ামী পান্ডা। আমরা কেন দৈনিক বাংলায় ভিড় করেছি?

আহমেদ হুমায়ূন প্রথম দিনেই আমাদের বসার স্থান করে দিলেন। চারতলায়। চেয়ার-টেবিল প্রস্তুত। অফিস সহকারী হিসাবে পেলাম রহমান ভাইকে। এই চারতলা আমাদের স্বপ্নের চারতলা। এখানেই কবি আহসান হাবীব কিংবা আফলাতুন একদিন বসতেন। আমরা প্রতি সপ্তাহে একদিন দৈনিক বাংলায় আসতাম। সাতভাই চম্পায় যদি একটা লেখা ছাপা হয়! সেই প্রত্যাশা। সেই চারতলায় এখন আমরা বসবো। কাজ করবো। এই হচ্ছে জীবনের ধারাবাহিকতা। জীবন প্রবাহমান। সকল শূন্যস্থানই পূরণ হয়ে যায়। কিন্তু সত্যি হচ্ছে,আহমেদ হুমায়ূনের শূন্যতা অপূরনীয়। আমাদের সাংবাদিকতার ইতিহাসে তিনি উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন আধুনিক সাংবাদিকতা। তিনিই চলিত ও মৌখিক ভাষায় সংবাদিক গদ্যের ¯স্রষ্টা। সরল ও অনাড়ম্বও তার ভাষাভঙ্গী।

আমরা খুব হতভাগ্য জাতি। খুব দ্রুত সব বিস্মৃত হয়ে যাই। আমাদের স্মরণ করার ক্ষমতাও খুব কম। কিন্তু হাজারো স্মৃতি বিস্মৃতির ভিড়েও আহমেদ হুমায়ূন সবসময় স্মরণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। তাকে কেউ কখনো ভুলতে পারে না।

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com