মিষ্টিমুখ…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অসিত কর্মকার সুজন

মিষ্টি খেতে কে না ভালোবাসে। আর উৎসব- অনুষ্টানে তো মিষ্টি ছাড়া চলেই না।এখানে আমাদের খুবই পরিচিত ক’টি মিষ্টির রেসেপি দিলেন রন্ধনশিল্পী অসিত কর্মকার সুজন।পরিচিত মিষ্টি হলেও সবারতো আর বানানো পদ্ধতি জানা থাকে না। তাই যারা জানেন না তারা চেষ্টা করে তৈরী করে নিতে পারেন এই মিষ্টিগুলো।

 

 

বেকড ছানা গাজরের সন্দেশ

বেকড ছানা গাজরের সন্দেশ

উপকরনঃ

ছানা – ২ কাপ, গাজর কুচি – ৩/৪ কাপ, ডিম – ১ টা।কন্ডেন্স মিল্ক – ২ কাপ, এলাচ গুড়া – ১/৪ চা. চামচ, লবন – ১ চিমটি।

পদ্ধতিঃ

প্রথমে গাজর গুলো ধুয়ে চিজ গ্রেটার দিয়ে গ্রেট করে নিন । তারপর গরম পানিতে ৫/৬ মিনিট সিদ্ধ করে খুব ভালো করে পানি ঝরিয়ে নেবে।এবার উপরের দেয়া সব উপকরণ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে বিট করে নিন, তারপর একটা স্কয়্যার প্যানে ফয়েল পেপার বিছিয়ে ছানা গাজরের মিশ্রনটি প্যানে ঢেলে দিন । তারপর ৩৫০° প্রি-হিটেড ওভেনে ২০/২৫ মিনিট বেক করবে, অথবা যার যার ওভেনের টেম্পারেচার অনুযায়ী বেক করবে।তারপর ওভেন থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রেখে দেবে ৪/৫ ঘণ্টা। এখন নিজের পছন্দমতো শেপে কেটে পরিবেশন করুন বেকড ছানা গাজরের সন্দেশ।

কাঁচাগোল্লা

কাঁচাগোল্লা

উপকরণঃ

ছানা ২ কাপ , মাওয়া ১ কাপ , এলাচগুঁড়া আধা চা-চামচ , চিনি স্বাদ মতো , এলাচ ৩-৪টি গুঁড়া করা ,

মাওয়ার জন্য: গুঁড়াদুধ ১ কাপ। ঘি ৩ টেবিল-চামচ। পানি ৪ টেবিল-চামচ।

সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে হাই পাওয়ারে এক মিনিট রাখুন। তারপর ঠাণ্ডা করে গুঁড়া করে নিন।

পদ্ধতিঃ

মাওয়া দুইভাগে ভাগ করে নিন। ছানা হাত দিয়ে খুব ভালো করে মথে নিন। ছানায় যেন কোনো দানাভাব না থাকে এবং খেয়াল রাখবেন ছানায় যেন একেবারেই পানি না থাকে।।তারপর ছানাতে আধা কাপ মাওয়া, চিনি আর এলাচগুঁড়া ভালো করে মেশান। এখন মিশ্রণ থেকে অল্প করে নিয়ে গোল গোল করে বলের মতো বানিয়ে নিন।তারপর বলগুলো বাকি আধা কাপ যে মাওয়া আছে তাতে গড়িয়ে নিন। হয়ে গেল মজাদার কাঁচাগোল্লা।

আপেল সন্দেশ

আপেল সন্দেশ

উপকরণঃ

ঘি ৪ টেবিল-চামচ , কন্ডেন্সড মিল্ক ৮ টেবিল-চামচ , গুঁড়াদুধ এক কাপ এবং আরও ৪ টেবিল-চামচ , লবঙ্গ ৭/৮ টি , খাবার রঙ সামান্য  ( লাল ) , চিকন তুলি একটি ।

পদ্ধতিঃ

মাইক্রোওয়েভ ওভেনে এক মিনিট ঘি গরম করুন। বের করে কন্ডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে আবার ওভেনে গরম করুন এক মিনিট।

এবার হাত দিয়ে অথবা চামচ দিয়ে অল্প অল্প করে গুঁড়া দুধ মেশান। গরম থাকতে থাকতেই প্রথমে একটু  গোল করে পরে চ্যাপ্টা করে আপালের আকার দিতে হবে (গরম থাকা অবস্থায় এই সন্দেশ করতে হবে ,  ঠাণ্ডা হলে শক্ত হয়ে যাবে ) । ঠাণ্ডা হলে  খাবার রঙ চিকন তুলিতে লাগিয়ে  সাবধানে আপ্লের সন্দেশের গায়ে আঁকতে হবে যাতে একদম আপেলের মতো দেখায় । এবার একটি লবঙ্গ দিয়ে আপেলের বোঁটা দিতে হবে । এবার পরিবেশ্ন করুন আপেল সন্দেশ ।

বালুশাহী

বালুশাহী

উপকরণঃ

ময়দা – ৪ কাপ , ঘি – ৩/৪ কাপ ,  বেকিং সোডা – ১/২ চা চামচ  , দই – ১/২ কাপ , চিনি – ৩ কাপ , পানি  – ৬ কাপ ,তেল – ছাকা তেলে ভাজার জন্য্‌ ।

পদ্ধতিঃ

ময়দা, ঘি, বেকিং সোডা, দই একসঙ্গে ভাল করে মাখুন। হাল্কা গরম জল দিয়ে মেখে একটি নরম ডো তৈরি করুন। একেবারে মসৃণ ও নিখুঁতভাবে না মাখলেও চলবে। ভাল করে মাখা হয়ে গেলে ২০ মিনিট রেখে দিন। এবার একটি পাত্রে ছাঁকা তেলে ভাজার জন্য তেল নিন। লেবুর মাপের এক একটি লেচি কাটুন। হাতের তালুর সাহায্যে একটু চ্যাপটা করে দিন। মাঝখানে একটা গর্ত করুন। অন্য একটি পাত্রে পানি ও চিনি মিশিয়ে সিরা তৈরি করে নিন। যেন স্বাদে চনমনে মিষ্টি ও একটু চিটচিটে হয়। এবার তেল গরম হলে বালুশাহী গুলি দিয়ে সোনালি রং হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। ভাজা আলুশাহী রসের মধ্যে দিয়ে দিন। যাতে রসে পুরোটা ডুবে যায় বালুশাহীগুলো খেয়াল রাখবেন। প্রায় ২-৩ ঘন্টা রসে রাখার পর একটি সার্ভিং প্লেটে রস ছাড়া বালুশাহীগুলো তুলে চাইলে একবার মাওয়াতে গড়িয়ে নিয়ে পরিবেশন করুন ।

 

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com