ভোগলের মুখোমুখি শাকিব আর মুস্তাফিজ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আহসান শামীমঃ আইপিএলের দশম সংস্করণে  সাকিব অবশ্য এখনও মাঠে নামারই সুযোগ পাননি। কলকাতা তারপরও পাঁচটা ম্যাচের মধ্যে চারটাতেই জিতেছে। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেও আছে গৌতম গম্ভীরের দল। ভারতীয় ক্রিকেট পণ্ডিত হার্শা ভোগলের মতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রথম ‘সিরিয়াস সুপারস্টার’ সাকিব আল হাসান।  সাকিব আল হাসান আর মুস্তাফিজের পৃথক ভিডিও সাক্ষাৎকারে মুখোমুখি হলেন ক্রিকেট বিষয়ক ভারতীয় গণমাধ্যম ক্রিকবাজের। ক্রিকবাজের হয়ে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন খোদ হার্শা ভোগলে।

সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেছেন তিনি কলকাতার প্রতি আত্মিক টান অনুভব করেন। হার্শা সাকিবকে প্রশ্ন করেন , ‘কলকাতা মানেই বাঙালির শহর। আপনাদের ঢাকাও তাই। কলকাতার সাথে তাই কোনো আত্মিক যোগাযোগ টের পান?’জবাবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ খেলা সাকিব বলেন, ‘হ্যা, আমি সব সময় বলি যে, কলকাতা আমার ‘সেকেন্ড হোম’। কলকাতার হয়ে খেলছি ছয় কী সাত বছর হতে চললো। আমরা একই ভাষায় কথা বলি। আমাদের সংস্কৃতি একই রকম। আবহাওয়াও প্রায় একই ধাঁচের। এর চেয়ে ভাল আর কিছু হতে পারে না। আমি যদি সড়কপথে বাড়ি (মাগুরা) যাই, তাহলে সেটাও খুব বেশি দূরে না। বড়জোর চার কি পাঁচ ঘণ্টা লাগে।’

সাকিব কিংবা মুস্তাফিজুর রহমান খেলেন বলেই আইপিএলের প্রতি এখন বাড়তি আগ্রহ বাংলাদেশি সমর্থকদের। সেটাও অস্বীকার করলেন না সাকিব। বললেন, ‘আমি মাঠে খেলতে নামলেই বাংলাদেশের সমর্থকদের বড় একটা অংশ টেলিভিশন সেটের সামনে বসে থাকে। এটা মুস্তাফিজের ক্ষেত্রেও সত্য। মুস্তাফিজের আসার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে কেউ হায়দ্রাবাদের খেলা দেখতো না, খুব কমই ওদের নিয়ে আলোচনা হত। কিন্তু, মুস্তাফিজ হায়দ্রাবাদে আসা মাত্রই অবস্থাটা পাল্টে গেছে। সবাই হায়দ্রাবাদের ম্যাচ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে বসে থাকে। দেশের মানুষ ক্রিকেটের সাথে খুব নিবীড়ভাবে যুক্ত। আমরা যেখানেই খেলতে যাই, সেই খেলারই তাঁরা খবর রাখে। যাদের হয়ে খেলি তাদের সমর্থন করে।’

চলতি মৌসুমে আইপিএলে হায়দরাবাদ শিবিরে যোগ দিয়ে প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামেন মোস্তাফিজ। ওই ম্যাচে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি বাঁ-হাতি এই তারকা। কাটার মাস্টারের শুরুটাই হয়েছিল বাজেভাবে। প্রথম ওভারে দিলেন ১৯ রান। নিজের দ্বিতীয় ওভারে খরচ করেন ১১ রান। আর তৃতীয় ওভারের প্রথম ৪ বলে দেন ৪ রান।সব মিলিয়ে ২.৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩৪ রান দিয়ে মোস্তাফিজ ছিলেন উইকেটশূন্য। পরের দুই ম্যাচ কেকেআর ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে আর একাদশে জায়গা পাননি মোস্তাফিজ।

অন্য এক সাক্ষাৎকারে মুস্কাফিজুর জানালেন সাফল্যের কথা কখনও মাথায় নিয়ে ঘোরেন না তিনি। ভারতীয় এক গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপ কালে তিনি জানান,‘আমি কখনও সাফল্যকে আমার মাথায় নিয়ে ঘুরিনা।  আপনারাই আমাকে বড় বানিয়েছেন। সবার কাছে আমার ট্যালেন্টকে তুলে ধরেছেন। তাই আজ আমি এখানে।  ‘মুস্তাফিজের চাওয়া যদি সে বড় মানের একজন ক্রিকেটার নাও হতে পারেন সবাই যেন তাকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে মনে রাখে। তিনি বলেন, ‘আমি যদি একজন বড় মানের খেলোয়াড় না হতে পারি তাহলে আমি চাই আমাকে সবাই একজন ভালো মানুষ হিসেবে চিনুক এবং আমাকে মনে রাখুক। ’

ছবিঃ গুগল

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com