বাটারবান…

  •  
  •  
  •  
  •  
  • 0
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শামীম আজাদ

ডার্লিংটনে আজ সারাদিন বৃষ্টি হচ্ছিল। ব্রীজ পেছনে ফেলে ঝিরঝিরে বৃষ্টিতেই দেখছিলাম সিকামোর, হথর্ণ, এল্ডার ফ্লাওয়ার। সাদা সাদা কূচো এল্ডার ফ্লাওয়ার যেন সাদা সাদা নাকফুল গুচ্ছ। এর পানীয় আমার অনেক প্রিয়। বোটানিস্ট দিদি একটি পাতা ছিঁড়ে আমার নাকের কাছে এনে ধরতেই মুখর হয়ে গেলাম তার মিষ্টি গন্ধে। নিচে তাকিয়ে দেখি কি সব বিশাল পাতা। কি তার ডাঁটা! বললাম দিদি এতো ছাতার মত, কচু পাতার মত। নাম নাকি তার বাটারবার! এখন ফুল নেই। ফুল হয় বছরের প্রথম দিকে। তখন কোন পাতাই থাকে না। গোড়া এর পাতার ডাঁটার মতই একটি ডাঁতা থেকে সোজা উপরে উঠে যায়। সেখানে খোড়ের মত ফুল ধরে।

হঠাৎ কি মনে হল কচু পাতার বদলে হাঁটা পথের পাশ থেকে বাটারবার পাতার ছাতা বানাতেই ধ্রুবাদি ক্লিক করলেন। আর বল্লেন, শামীমরে মজার কথা শোন। এর রঙ নয় মাখন এর মত। না এটি তেমন নরম টরম। তবু এর নাম বাটারবান কারণ, প্রাচীন সময়ে ঘরে তোলা মাখন এই পাতাতে মুড়িয়ে ঠান্ডা কোন একটা জায়গা খূঁজে রাখা হত।
আমাদের দুপাশের ঘাস, গাছের এ্যভিন্যূ আর নিচে অনেক গহীন দূরত্বে জল ঝরার শব্দ। নিচে দেখা যাচ্ছে মিয়ান্ডারিং টীজ নদী। তার জলদেহে হেলান দিয়ে শুয়ে আছে উইলো। মনে হচ্ছিল নরম প্রবাহে কোথায় যেন বাংলাদেশের গ্রামের গন্ধ লেগে আছে।

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com