দেশ থেকে ডাক পেলে কাজ করবোঃ প্রিয়তি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কুমিল্লার মেয়ে প্রিয়তি। আট ভাই বোনের মধ্যে তার স্থান সপ্তম। বসবাস আয়ারল্যান্ডে। ১২ বছর বয়স থেকেই পড়াশোনার সুবাদে দেশের বাইরে বর্ডিং স্কুলে থাকা। বাবা মারা গেছেন ছোটবেলাতেই, তাই মা-ই ছিলেন সব। ২০০৮ মা-ও সবাইকে ছেড়ে চলে যান। তাই এখন দেশে আসার পরিমান ও কমে গেছে। সম্প্রতি প্রিয়তি আয়ারল্যান্ড থেকে টেলিফোনে কথা বলেন প্রাণের বাংলার সঙ্গে। বলেন নিজের জীবনের অনেক কথা…

২০১৪ তে প্রিয়তি মিস আয়ারল্যান্ডের মুকুটটি মাথায় পরেন।ইউরোপের ইতিহাসে সেই প্রথম কোন এশিয়ানের মাথায় মুকুটটি উঠে।২০১৬ তে হন মিস আর্থ। এতকিছুর পরও প্রিয়তি খুব সহজ সরল এবং সাদামাটা জীবনই যাপন করেন।ছেলেবেলায়ে দেশে দু’একটা মডেলিং করেছেন। বিলবোর্ডেও স্থান পেয়েছিলেন। তবে মা থাকাকালীন যখন ঘন ঘন দেশে আসতেন, তখন ফ্যাশন শো ও করেছেন।
পেশায় প্রিয়তি পাইলট। এখন ট্রেইনার হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি আইরিশ মুভিতেও অভিনয় করছেন। ইতিমধ্যে ২টি ছবি শেষ করেছেন, বাকী আছে ১টার কাজ  সেটুকুর শ্যূটিং হবে বাংলাদেশে।সম্ভবত ডিসেম্বরের দিকে এর কাজে দেশে আসবেন।
বাংলাদেশ থেকে কোন কাজের ডাক পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, না এখনও কেউ ডাকেনি।তবে ডাক পেলে, যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে করবো।
হলিউড থেকে প্রস্তাব পেলে কি করবেন? একটু থেমে বলেন, তখন আমি মিজ আয়ারল্যান্ড হইনি। হলিউডের একটা ছবিতে কাজ করার জন্য অডিশন দিয়েছিলাম।পরিচালকের গ্রীক লুক একটা মেয়ে প্রয়োজন ছিলো। সবকিছু ঠিকঠাক, কিন্তু একটা দৃশ্যের জন্য আমি তৈরী ছিলাম না। তাই আর হয়নি। আসলে তখন আমি কিছুই বুঝতাম না।
অবশ্য মিস আয়ারল্যান্ড হওয়ার পর জেমস ক্যামেরুনের ওয়াইফ ক্যাটরিনা ক্যামেরুন তার একটা ছবির জন্য ডেকেছিলেন প্রিয়তিকে।বলেন,   আমি করতে পারিনি কারণ তখন আমার মিস আর্থ  এর প্রতিযোগিতা  চলছিলো।
ভবিষ্যতে অভিনয়কে পেশা হিসেবে নিবেন কি? আসলে সব কিছু নির্ভর করছে সময়, কাজের পরিমান, পরিস্থিতি সব কিছুর উপর। আমার ছোট দুটো বাচ্চা আছে ওদের কথাও আমাকে ভাবতে হবে। ওদের সমস্যা করে কোন কিছু করা আমার পক্ষে সম্ভব না।
এক সময় প্রচুর বই পড়তেন প্রিয়তি। তবে এখন টিচার হিসেবে প্রফেশনের বই-ই বেশী পড়তে হয়। অন্য বই পড়ার তেমন চান্স পান না বলে জানালেন।
বাচ্চাদের জন্য ডে-কেয়ারের উপর নির্ভশীল হলেও কাজের বাইরের সময়টুকু কাটান বাচ্চাদের নিয়েই। বলেন, ওরাই আমার প্রথম প্রায়োরিটি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ছকটিও তার হাতের মুঠোয়। জানালেন, ওখানে কিছু সোস্যাল একটিভিটির সঙ্গেও জড়িত আছেন। প্রিয়তি বললেন,‘ভবিষ্যতে দেশে চাইল্ড লেবার এবং সিঙ্গেল মাদারদের জন্য কিছু করার ইচ্ছে আছে। অবশ্যই কিছু করবো তাদের জন্য।’

সাক্ষাৎকার: স্বাগতা জাহ্নবী

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com