ডুব সিনেমা নিয়ে পার্নো মিত্র

  •  
  •  
  •  
  •  
  • 0
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে পরিচালক মুস্তাফা সরয়ার ফারুকির সিনেমা ‘ডুব’। বাংলা ছবিতে প্রথমবার দেখা যাবে বলিউডের অভিনয় শিল্পী ইরফান খানকে। পাশাপাশি বাংলাদেশের পরিচালকের এই ছবিতে অভিনয় করেছেন টলিউড অভিনেত্রী পার্নো মিত্র।

এই সিনেমাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। দেশের প্রয়াত বিশিষ্ট কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের জীবনের ওপর ভিত্তি করে এই ছবি নির্মিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। তার অভিযোগটি ছিলো, পরিচালক তাদের পরিবারকে কিছু না জানিয়েই কাজটি করেছেন। অবশ্য সরয়ার ফারুকী তার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

‘ডুব’ ছবির কাহিনি, ইরফান খানের সঙ্গে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পার্নো মিত্র বলেন, ‘ডুব’ কারো জীবনী নিয়ে তৈরী হয়েছে বলে তো আমাদের কখনও বলা হয়নি। জীবন নির্ভর কোনো সিনেমা তৈরী হলে তো পরিচালক অবশ্যই বলেতেন। ফারুকী এধরনের কোনও কথাই বলেনি। তাই যখন বিষয়টা শুনলাম আমি খুব অবাক হলাম। তখন আমার হঠাৎ মনে পড়ল তাহলে তো ‘নিঃশব্দ’ বলে এরকম এক সিনেমা হয়েছিল। একটা বয়স্ক লোকের সঙ্গে অল্পবয়স্ক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু এখানে তো বাবা-মেয়ের সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে। সেখানে আমি কারোর জীবনীর সঙ্গে সিমিলারিটি খুঁজে পাইনি। কোথাও একটা ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। এটা একটা শিল্প। এখানে কারোর জীবনী নিয়ে করা হয়নি। কোথাও সিমিলারিটি থাকতেই পারে, তবে তো সেটা অনেকের জীবনের সঙ্গেই থাকতে পারে।’

ইরফান খানের সঙ্গে অভিনয় করা প্রসঙ্গে পার্নো বলেন, ‘ইরফান খানের সঙ্গে অভিনয় করাটা আমার কাছে একটা নতুন অভিজ্ঞতা। অনেক কিছু শেখার ছিল। আমি তো পুরোপুরি অ্যাক্টিং স্কুলে যাওয়ার মতো করে নিয়েছিলাম ব্যাপারটা। ‘ডুব’-এ কাজ করার অফার আসতেই আমি হ্যাঁ করে দিয়েছিলাম। চিত্রনাট্য আমার ভীষণ পছন্দ হয়েছিল।সিনেমায় নিজের চরিত্রটিকে বেশ জটিল বলেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, গল্পে লেখক জাভেদের মেয়ে সাবেরির বেস্ট ফ্রেন্ড নীতু। আর এই নীতুর চরিত্রেই আমি অভিনয় করেছি। সাবেরি আর নীতু সবসময় একসঙ্গে স্কুলে পড়েছে । ওরা খুব ভালো বন্ধু, তবুও কোথাও গিয়ে নীতুর মনে হয়েছে সাবেরী ওর থেকে এগিয়ে। কারণ, ওর নামের সঙ্গে জাভেদের নাম রয়েছে। তাই কোথাও গিয়ে নীতুর মধ্যে একটা হীনমন্যতা কাজ করে। মনে হয় ওর বন্ধু, ওর থেকে সব লাইমলাইট কেড়ে নিচ্ছে। তখনই সে কোথাও একটা গিয়ে জেলাস ফিল করে, একটা ইমম্যাচিওরিটি রয়েছে। এই সব নিয়েই আমার চরিত্র।

বিনোদন ডেস্ক

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

ছবিঃ গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com