ডায়ানার গোপন প্রেমিক ছিলো তার দেহরক্ষী

  •  
  •  
  •  
  •  
  • 0
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রয়াত রাজকুমারীদের নিয়ে গল্প-কাহিনি যেন আর ফুরায় না। লেডি ডায়ানার বেলায়ও তাই ঘটছে। স্বামী যুবরাজ চার্লসের সঙ্গে বিচ্ছেদ, কোটিপতি ব্যবসায়ী ডোডি আল ফয়েদের সঙ্গে গোপন প্রেম, স্বামীর পরকীয়া-সব মিলিয়ে বেঁচে থাকতেই ঝড়ের কেন্দ্রে ঘর বেঁধেছিলেন এই প্রায় রূপকথার রাজকন্যা।এবার দেহরক্ষীর সঙ্গে শারীরীক সম্পর্ক বিষয়ে এক ভিডিও টেপের অস্তিত্ব প্রকাশিত হলে আবারও আলোচনার শীর্ষে ডায়ানা।
ভিডিও টেপ ফাঁস করে নতুন বোমাটি ফাটিয়েছে ইংল্যান্ডের ‘চ্যানেল ফোর’। তারা জানিয়েছে, এক দেহরক্ষীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক ছিল প্রয়াত যুবরানির। আর ডায়ানা নিজের মুখেই সে কথা স্বীকার করে গেছেন। ডায়নার সঙ্গে প্রিন্স চার্লসের  সম্পর্ক তখন তলানিতে এসে ঠেকেছে। অস্থির মন নিয়ে রাজকুমারী যেন উড়ে বেড়াচ্ছেন এ আগুন থেকে সে আগুনে। স্বামী চার্লসও আবার জড়িয়ে গেছেন পুরনো প্রেমিকা ক্যামিলার সঙ্গে। ঠিক সেই সময়েই ডায়ানা অন্তরঙ্গ হয়ে পড়েন তাঁর দেহরক্ষী বেরি ম্যানাকি–র সঙ্গে। শুরু হয় তাদের উদ্দাম যৌনজীবন।সেকথা প্রকাশিতব্য ভিডিও টেপটিতে নাকি স্বীকার করেছেন ডায়ানা। তিনি খোলাখুলিই জানিয়েছেন, যে সময়ে বেরি–র সঙ্গে তিনি অন্তরঙ্গ হন, তখন স্ত্রীর কাছে প্রিন্স চার্লসের চাহিদা বলতে ছিল তিন সপ্তাহে একবার যৌনতা। এর বাইরে কোনও মানসিক টান ছিল না দু’জনের মধ্যে। ঠিক এভাবেই বিয়ের আগে তিন সপ্তাহে একবার প্রাক্তন প্রেমিকা ক্যামিলার কাছে যেতেন চার্লস। বিষয়টা মেনে নিতে পারেননি হয়তো ডায়ানা। তাই তিনিও নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছিলেন দেহরক্ষীর সঙ্গে। সমালোচকরা এখন প্রশ্ন তুলেছেন, এই সম্পর্ক কি ভালোবাসার না কেবলই ডায়ানার শারীরীক চাহিদার আগুন ছিলো?
১৯৯৩ সালে বিচ্ছেদ হয় দু’জনের মধ্যে।বিচ্ছেদের পরে কণ্ঠস্বর উন্নত করার জন্য একজন স্পিচথেরাপিস্টের শরণাপণ্ণ হয়েছিলেন ডায়ানা। পিটার সেটেলন নামে ওই স্পিচথেরাপিস্টের সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে হতো তাঁকে। তিনি সেটার ভিডিও করতেন। এই ভিডিও টেপের শ্যুটও তিনিই করেছিলেন। বিবাহবিচ্ছিন্ন ডায়ানা কিছুই লুকোতেন না সেটলনের কাছে। দেহরক্ষী বেরির সঙ্গে যৌনতা ও প্রেমের কথাও তিনি খোলাখুলি আলোচনা করেছিলেন। ডায়ানা নাকি বলেছিলেন, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে ওই দেহরক্ষীই ছিলেন ডায়ানার মনের মানুষ। সব কিছু ছেড়ে বেরির সঙ্গে তিনি পালাতেও রাজি ছিলেন। আর ডায়ানার এই ইচ্ছায় একশো শতাংশ সায় ছিল বেরির। ডায়ানা বলেছেন, ‘সবাইকে জানাতে চেয়েছিলাম আমি ওর সঙ্গে ভাল আছি। আমি যে মানসিক পরিস্থিতিতে আটকে ছিলাম বেরি–ই আমাকে উদ্ধার করে। আমি যা চেয়েছি, ও তাই করেছে।’
পত্রিকার খবরে জানা গেছে, ওই ভিডিও টেপের আলোচনায়, প্রিন্স চার্লসকেও আক্রমণ করেছিলেন ডায়ানা। কেন তিনি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন, সেই কৈফিয়তও চেয়েছিলেন তিনি। নিরুত্তাপ চার্লস নাকি বলেছিলেন, ‘আমি ওয়েলসের একমাত্র প্রিন্স নই যার উপপত্নী আছে।’ এদিকে স্বামীর পরকীয়ার কথা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে জানিয়েছিলেন ডায়ানা। এলিজাবেথের উত্তর ছিল, ‘আমি জানি না তোমার কী করা উচিত। চার্লসকে আমি সামলাতে পারব না।’ ডায়ানা ও বেরির সম্পর্কের কথা জানাজানি হওয়ার পরেই বেরিকে বরখাস্ত করা হয়। তার কিছুদিন পরই একটি বাইক দুর্ঘটনায় বেরির মৃত্যু হয়। ডায়ানা বলেন, ‘বেরির মৃত্যু আমার জীবনের সবথেকে বড় শোক।’

বিজন রায়
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট
ছবিঃ গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com