জিতলো বাংলাদেশ

  •  
  •  
  •  
  •  
  • 0
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আহসান শমিীমঃ ডাম্বুলার এ মাঠে কেউ ৩০০ করে হারেনি।  বাংলার বাঘরাও লঙ্কান সিংহের কাছে আজ শনিবার প্রথম ওয়ানডেতেও হারেনি । জিতেছে ৯০ রানের বিশাল ব্যাবধানে । এ নিয়ে তৃতীয়বার ডাম্বুলারল মাঠে  ৩০০-র স্কোর হলো।  তিনবারই জড়িয়ে থাকল বাংলাদেশের নাম। আগের দুবার বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তান করেছিল ৩৮৬, আর শ্রীলঙ্কা করেছিল ৩১২।  ওই দুবারই হেরেছিল বাংলাদেশ। ৩০০-এর বেশি করেও বাংলাদেশ হেরেছে মাত্র একবার।  ২০১৪ এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দেওয়া ৩২৭ রানের লক্ষ্য পাকিস্তান পেরিয়েছিল ৩ উইকেট হাতে রেখে।  আজ শনিবারও সেটার  পুনরাবৃত্তি হতে দেয়নি মাশরাফিরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে আটবার ৩০০-র স্কোর গড়েছে শ্রীলঙ্কা।  অবশ্য কোনোবারই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করে নয়।

শ্রীলঙ্কার কোনো ভেন্যুতে আজ পর্যন্ত প্রথমে ব্যাট করে ৩০০ তুলে কেউ হারেনি। সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ড ২৮৯।  ২০০৯ সালের আগস্টে ৬ উইকেট হাতে রেখে পাকিস্তানের দেওয়া লক্ষ্যটা পেরিয়ে যায় শ্রীলঙ্কানরা।  নিজেদের মাটিতে এটাই এখন পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জেতার কীর্তি। পাকিস্তানের বিপক্ষে পাল্লেকেলেতেও ২৮৮ তাড়া করে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। আজ শনিবারও এসব রেকর্ড অক্ষুন্ন রয়ে গেলে যুক্ত হলো লঙ্কানদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৯০ রানে বাংলাদেশের বিশাল জয়ের রেকর্ড । আরও যোগ হলো, ডাম্বুলায় এখন  সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস তামিমের ।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটা তামিমের অষ্টম সেঞ্চুরি, আর শ্রীলংকার বিপক্ষে দ্বিতীয়। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির রেকর্ড ভাঙলেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। ২০১০ সালে ডাম্বুলায় বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬০ বলে ১৭ চার ও ৪ ছক্কায় ১২৪ রানের ইনিংস খেলেন আফ্রিদি। দীর্ঘ সাত বছর ধরে আফ্রিদির দানবীয় এই ইনিংসটা ছিল ওয়ানডেতে ডাম্বুলার এ মাঠে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। শনিবার শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে তামিম ইকবাল ১২৭ রান করে আফ্রিদির সেই রেকর্ড ভেঙে দেন। ১৪২ বলে ১৫টা চার ও ১টা ছক্কায় সাজানো ছিল তামিমের ইনিংসটা। শ্রীলংকান ব্যাটসম্যান টি পেরেরা ২৮ বল  ৫০ রান করে বাংলাদেশর বিপক্ষে প্রথম শ্রীলংকান  দ্রুত রান করার রেকর্ডটাও করেন আজ।

ডাম্বুলার মাঠে বাংলাদেশ টাইগারদের ব্যাটিং , বোলিং , ফিল্ডিং সবকিছুই ছিল পরিনত । মিরাজকে ওয়ানডেতে আজ অভিষেক করানোর সিদ্ধান্তে পরিপক্কতা ছিল। ব্যাট হাতে সুযোগ না পেলেও বল হাতে সেটা প্রমান করেছেন মিরাজ ।

অধিনায়ক মাশরাফি ২ টা, মিরাজ ২ টা , মুস্তাফিজ ৩ টা , তাসকিন আর সাকিব ১ টা করে উইকেট লাভ করেন । ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন তামিম ইকবাল। তিন ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ তে এগিয়ে রইল। আগামী ২৮ মার্চ ডাম্বুলার মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় খেলা অনুষ্টিত হবে ।

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com