জন্মদিনে শুভেচ্ছা

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাভিনেতা আলমগীর। আশি ও নব্বইয়ের দশকে দাপটের সঙ্গে চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন তিনি। পারিবারিক টানাপোড়ন, সামাজিক অ্যাকশন, রোমান্টিক অ্যাকশন, ফোক ফ্যান্টাসিসহ সব ধরনের চলচ্চিত্রে তিনি ছিলেন সফল।

 ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন অভিনেতা আলমগীর। তার পিতা কলিম উদ্দিন আহম্মেদ ওরফে দুদু মিয়া ঢালিউডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ এর একজন অন্যতম প্রযোজক।
অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক, গায়ক ও পরিচালক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে ৯ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন।

১৯৭৩ সালে আলমগীর কুমকুম পরিচালিত আমার জন্মভূমি ছবির মাধ্যমে প্রথম চলচ্চিত্রে পা রাখেন আলমগীর । তার অভিনীত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ছিল ‘দস্যুরাণী’। এরপর তিনি এ পর্যন্ত অনেক ছবিতে কাজ করেন। অভিনেতা হিসেবে তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রসমূহ হচ্ছে – ভাত দে, মা ও ছেলে, মায়ের দোয়া, ক্ষতিপূরণ, মরণের পরে, পিতা মাতা সন্তান, অন্ধ বিশ্বাস, দেশপ্রেমিক। এছাড়াও তিনি পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেছেন। যার মধ্যে মায়ের অধিকার, সত্যের মৃত্যু নাই, জীবন মরনের সাথী, কে আপন কে পর উল্লেখযোগ্য।
তিনি ১৯৮৬ সালে প্রথম পরিচালক হিসেবে নিষ্পাপ চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তার নির্দেশনায় নির্মিত সর্বশেষ চলচ্চিত্র হচ্ছে নির্মম।
তিনি কণ্ঠশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে গানও গেয়েছেন। আগুনের আলো চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম কণ্ঠ দেন। এরপর তিনি কার পাপে, ঝুমকা ও নির্দোষ চলচ্চিত্রেও গান গেয়েছেন।
আলমগীরের প্রথম স্ত্রী ছিলেন গীতিকার খোশনুর আলমগীর। তাকে বিয়ে করেন ১৯৭৩ সালে। গায়িকা আঁখি আলমগীর তাদের কন্যা। খোশনুরের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের পর আলমগীর ১৯৯৯ সালে গায়িকা রুনা লায়লাকে বিয়ে করেন।

আজ এই জন্মদিনে আলমগীর এর প্রতি রইলো শুভেচ্ছা ও দোয়া।

বিনোদন ডেস্ক

ছবি:গুগল

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com