চল্লিশ বছর পর স্যাটারডে নাইট ফিভার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চল্লিশ বছর পরে আবারও জেগে উঠছে ‘স্যাটারডে নাইট ফিভার’। ‘স্যাটারডে নাইট ফিভার’ ছবিটি কি কখনো মৃত্যুবরণ করতে পারে? জন ট্রাভোলটার অসাধারণ নাচ আর ‘বি জিস’ ব্যান্ডের সেই গান, ‘হাও ডিপ ইজ ইওর লাভ’- তো দর্শক-শ্রোতারা ভোলেন নি। তাই এই ছবির মৃত্যু নেই। আর মৃত্যু যে নেই সেটা প্রমাণ করতেই নির্মাণের চল্লিশ বছর পর আবারও ‘স্যাটারডে নাইট ফিভার’ ছবিটির ডিরেক্টরস কাট এই মাসে হলিউডের নির্দিষ্ট কিছু প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। এবার ছবিটির দৈর্ঘ হবে ১২২ মিনিট।
তখন একেবারেই নতুন অভিনেতা ছিলেন জন ট্রাভোলটা। কিন্তু এই ছবিতে অনবদ্য অভিনয় আর নাচের জন্য পেয়ে গিয়েছিলেন অস্কার নমিনেশন। পরিচালক জন ব্যাডহামেরও ভাগ্য ঘুরে গিয়েছিল এই সিনেমা মুক্তি পাওয়ার পর। এর আগে ‘উইনডো’ নামে একটি থ্রিলার ছবি বানিয়ে কাজ-ছাড়া হয়েছিলেন তিনি।
স্যাটারডে নাইট ফিভার তৈরীর আগে ট্রাভোলটাকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে নেয়ার জন্যও ব্যাডহামকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল। প্যারামাউন্ট পিকচার্সের দুই কর্ণধার প্রথমে নিমরাজি ছিলেন ব্রুকলিনের নাচিয়ে ছেলে টনি মনেরোর চরিত্রে নতুন অভিনেতা ট্রাভোলটাকে নির্বাচিত করতে। কিন্তু ব্যাডহাম ছিলেন অনড়। পুরনো দিনের স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে পরিচালক সিএনএন‘কে বলেন, ‘ডিস্কোতে ৫০ জন নারী-পুরুষ নেচে যাচ্ছে, গান বাজছে আর ক্যামেরা চলছে-সে এক অদ্ভূত সময় কাটিয়েছি আমরা।’
এই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর ডিস্কো নাচ গোটা পৃথিবীতে অসম্ভব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল আবার। জন ট্রাভোলটার বিশেষ ধরণের শার্ট আর জুতোর জনপ্রিয়তা এই বাংলাদেশেও এসে ধাক্কা দিয়েছিল ফ্যাশন হিসেবে।
স্যাটারডে নাইট ফিভার ছবিটি হলিউডে প্রথম মুক্তি পায় ১৯৭৭ সালে। এরপর কিছু সংশোধনীসহ ছবিটি পুনরায় মুক্তি পায় ১৯৭৯ সালে। তারপর থেকেই ইতিহাসের খাতায় নাম উঠে যায়। আমেরিকার একটি পত্রিকায় ডিস্কো গানের ওপর প্রকাশিত একটি লেখাই ছিল এই দুনিয়া কাঁপানো ছবির মূল অনুপ্রেরণা। এই ছবির গান সারা দুনিয়ায় এখনো সর্বকালের সেরা গানের তালিকায় বিরাজ করছে সগর্বে।
ছবির বেশীরভাগ শ্যুটিং হয়েছিল নিউ ইয়র্ক শহরের ব্রুকলিনে। ছবিটিতে ট্রাভোলটার সঙ্গে মুখ্য নারী চরিত্রে অভিনয় করেন ক্যারেন লেইন।

বিনোদন ডেস্ক
তথ্যসূত্রঃ সিএনএন
ছবিঃ গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com