কানাডার শহরে শহরে মাসব্যাপী বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ ১৪২৪…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

(সদেরা সুজন, সিবিএনএ কানাডা থেকে): বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এবং দেশের আমেজে বরণ করে নিয়েছে কানাডার বিভিন্ন শহরে বসবাসরত প্রবাসীরা। পুরো মাসব্যাপীই চলছে প্রতিটি শহরে কোনো না কোনো সংগঠনের ব্যানারে বর্ষবরণের জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানমালা। প্রতিটি অনুষ্ঠানেই প্রবাসীদের উপস্থিতি ছিলো দেখার মতো। মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, নানারকমের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন সংগঠন প্রবাসী শিল্পীদের পাশাপাশি দেশ থেকে নিয়ে আসছেন নামি-দামি কন্ঠশিল্পীদেরকে। বলতে গেলে বর্ষবরণকে ঘিরেই চলছে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন। পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে উপলক্ষ্য করে টরন্টোর এলডন রোড সংলগ্ন পার্কিং লটের দেওয়ালে বাংলা সংস্কৃতিকে উপজীব্য করে বর্ণাঢ্য ম্যূরাল আঁকা হয়েছে। যাছিলো মূলধারার মানুষের কাছে আকর্ষণীয়।  ১৪ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত প্রতিটি উইকএন্ডে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান লেগেই আছে। কানাডার বিভিন্ন শহরের অনুষ্ঠিত এবং অনুষ্ঠিতব্য বর্ষবরণের অনুষ্ঠানের সংবাদ একত্রিত করে রিপোর্টটি তৈরী করা হয়েছে।

কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের বর্ষবরণ

​কানাডার অটোয়ায় ​বিপুল উৎসাহ​-​উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ কে স্বাগত জানিয়েছে​ ​বাংলাদেশ হাইকমিশন। বর্ষবরণের লক্ষ্যে দূতাবাসের উদ্যোগে নগরীর ​​​​ঐতিহ্যবাহী ব্রন্সন সেন্টারে​ বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয় যেখানে অটোয়া,টরন্টো ও মন্ট্রিয়েল থেকে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী যোগদান করেন। কানাডা ও অন্যান্য দেশের অতিথিরাও আসেন এ বৈশাখী মেলায়।

বাংলা নববর্ষ ১৪২৪কে স্বাগত জানিয়ে ও মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাইকমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, বাঙালী সংস্কৃতি এবং আমাদের দেশজ কৃষ্টিকে তুলে ধরা এ বৈশাখী মেলার অন্যতম উদ্দেশ্য। এতে স্বত​​স্ফুর্ত অংশগ্রহণের জন্য তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। তারইআলোকে​ কানাডা​ প্রবাসীদের কল্যাণে সচেষ্ট রয়েছে​​ বাংলাদেশ হাই কমিশন। তাই কানাডার মতো এই দূর প্রবাসে বাঙালী সংস্কৃতির বিকাশ ও প্রসারে বাংলা নববর্ষ উদযাপন ও বৈশাখী ​​মেলার আয়োজন খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝে বাঙালীসংস্কৃতিকে উৎসাহ দান ও সম্প্রসারণে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্ববান জানান তিনি।ঐতিহ্যবাহী বাংলা গান ও সুরের

বাংলাদেশ হাই কমিশন অটোয়ার

ঝংকারে সুস্বাদু বাঙালী খাবারের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়া হয়।​মেলার স্টলগুলোর অন্যতম ছিলো “Movement for Deportation of Killer Nur Chowdhury” আন্দোলন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনী নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরতপাঠানোর লক্ষ্যে মেলায় আগত অতিথিদের গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। এ বিষেয়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন মিসেস সোমা সাইফুদ্দিন। বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম স্টলে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডেরতথ্যসমৃদ্ধ গ্রন্থ, বঙ্গবন্ধুর ছবি এবং বাংলাদেশের রপ্তানী বাণিজ্য, পর্যটন, গ্রাম-বাংলার জীবন, পালা-পার্বন ও উৎসবের প্রতীকসমৃদ্ধ বিভিন্ন স্মারক ডিসপ্লে করা হয়। হাইকমিশনের দ্বিতীয় স্টলে অতিথিদের দেশীয় বিভিন্ন খাবারে আপ্যায়নও করা হয়। গত১৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখে মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিনে কানাডার বিভিন্ন শহরে হাইকমিশন আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা থেকে প্রাপ্ত নির্বাচিত চিত্রকর্মের প্রদর্শনী মেলায় যোগ করে বাড়তি আকর্ষণ​,​ যা মুগ্ধ করে আগতঅতিথিদের।

বিভিন্ন পসরা নিয়ে সাজানো স্টলগুলোর মধ্যে ছিলো এ্যালাইভ এডুকেশন (বিকল্প শিক্ষাদান প্রতিষ্ঠান), বাংলা ক্যারাভান, কবি-লেখক মোহসীন বখতের বইয়ের সংগ্রহ, নার্গিস বুটিক, ফিউশন বুটিক​ ​এবং’ডানা’স কুইসিন'(বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশীয় খাবারের দোকান)।অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বের আগে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাই কমিশনার মিজানুর রহমান ও তাঁর সহধর্মিনী মিসেস নিশাতরহমান। “Bangabandhu, The Greatest Leader” বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতায় ‘ক’ গ্রুপে (বয়স ৫-১০) প্রথম হয় তাসমিয়াহ খান; দ্বিতীয় দেওয়ান ফাতিমা সাইয়িদা এবং তৃতীয় আরিয়ানা আলিশা চৌধুরী। ‘খ’ গ্রুপে (বয়স ১১-১৬ বছর) প্রথম হয়সন্দীপন সাহা, দ্বিতীয় ওয়াফা ইসলাম এবং তৃতীয় ফাইকা শিকদার।

​মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করেন​ ​সাখাওয়া​​ত হোসেন (বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচি​​ব)​,​ রিজওয়ানা আলমগীর, শিশির শাহনেওয়াজ ​এবং শিশু​​​শিল্পী​ তাথৈ​। সমবেত কন্ঠে “এসো হে বৈশাখ এসো এসো” এবং “টাকডুম টাকডুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল”গেয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানা​​য় শি​​শুশিল্পী এ্যালিসিয়া, ইস্টি, আলিনা, ওয়াজিদ এবং চন্দ্রিমা (হারমোনিয়াম ও নির্দেশনায় ডালীয়া ইয়াসমীন​, ​ত​​ব​​লা​​​​​য় ​শু​​ভ​​ঙ্ক​​র​​)।​​​​​ কবিতা আবৃত্তি করেন গিয়াস ইকবাল সোহেল ​​এবং শিশু আবৃত্তিকার সানোভা। নাচপরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করে কারিনা দত্ত ​​এবং শিশু নৃত্য​​শিল্পী ​​লারিসা।অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদ। সার্বিক নির্দেশনায় মিনিস্টার নাইম উদ্দিন আহমেদ এবং সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনায়প্রথম সচিব আলাউদ্দিন ভুঁইয়া। হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পরিবার সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অতিথিদের স্বাগত জানান এবং কূশল বিনিময় করেন।​

বাংলাদেশ হিন্দু এ্যাসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়লের বর্ষবরণ ১৪২৪

বাংলাদেশ হিন্দু এ্যাসোসিয়েশন অব ক্যুইবেক, মন্ট্রিয়লের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ বর্ষবরণ উপলক্ষে মন্ট্রিয়লের সনাতন ধর্ম মন্দিরে  ১৫ এপ্রিল শনিবার রকমারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকালে গনেশ পূজার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কর্মসূচিশুরু হলেও বিকেলে মন্দির প্রাঙ্গনে মেলাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রবাসীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর্বগুলো উপস্থাপনা করেন শর্মীলা ধর, শক্তিব্রত হালদার মানু ও অনিন্দিতা রায়মিথিলা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই শিশু শিল্পী ‘ঝুন ঝুন ময়না’ (নাচ) – রিশিতা ও রুদ্রানি, ‘তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো’ (নাচ)- ভাবনা, ব্রিয়া, ‘মায়াবন বিহারিণী আমি নই’ (নাচ) – স্বাগতা ও সুমিতা, ‘নিশা লাগিলরে’ (নাচ) – অহনা, স্বাগতা, রামিয়া, শতরূওপর্ণিকা’র অসাধারণ নৃত্য ছিলো খুবই সুন্দর। শুভ নববর্ষ উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান মন্দিরের পুরোহিত শ্রী রীতীশ চক্রবর্তী।

বাংলাদেশ হিন্দু এসোসিয়েন অব মন্ট্রিয়লের

তারানা (নাচ) সুদেষ্ণা মৌলিক এর পরিচালনায় ক্লাসিক্যাল নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পী – অণুষ্কা রায়, অণুষ্কাচক্রবর্তী ও ইশা ধোতে। একটি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে শিশু শিল্পী উৎসব ও ঈশান। জয় হোক’ (গান) এ অংশগ্রহণ করে মিত্তি, মোহিনী, প্রিয়ঙ্করী ও পৌলমী। একক সংগীত পরিবেশন করেন তৃপ্তি দাস, তৃপর্ণা দে, শ্যামন্তি কর্মকার।মধুমিতা দে।পূরবী হালদার।পাপড়ি মিত্র ।গৌতম মিত্র । সুজাতা দেব।পুষ্পিতা দেব। সঞ্জীব কুমার দেব।সঞ্চিতা মজুমদার। সৌমিত্র কর সুমন। শর্মিষ্ঠা দেব।মুনমুন দেব।‘এসো হে বৈশাখ এবং এ দিন আজি কোন ঘরেগো (গান) , শর্মিলা ধর, রাখি চক্রবর্তী,লাকি চৌধুরী, অনিন্দিতা রায় মিথিলা, মুন দেব রায়, কেয়া দত্ত।বাংলা নববর্ষে “লোকোজো” পরিবেশিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা ছিলেন সোমা চৌধুরী, রুপা চৌধুরী, মুক্তা চৌধুরী, কেয়া ভট্টাচার্য্য, উমা দাস, প্রিয়াঙ্কা সাহা, শেলী দেব, রিপা দেবচৌধুরী এবং রাজীব দাস। সম্পন্ন অনুষ্ঠানে যন্ত্রশিল্পী ছিলেন আশরাফুল পাভেল, রুপু আলম, রাসেল, লিটন পাল, অনুপ চৌধুরী মিঠু । অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যাক প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ সমিতির বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ ১৪২৪

বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ সমিতি, মন্ট্রিয়ল, ক্যুইবেকের উগ্যোগে  ১৪ এপ্রিল  বাংলাদেশ হিন্দু মন্দিরে ব্যাপকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। নববর্ষ ১৪২৪কে স্বাগত জানিয়ে দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রকমারি বর্ণাঢ্যআয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ষবরণ। দুপুরে শ্রী শ্রী গনেশ পূজার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানাদির সূচনা হয়। বিকালে বৈশাখী মেলা শুরুর পর পরই প্রাণের উৎসবে বিপুল সংখ্যাক প্রবাসীরা চিরন্তন বাংলার পোশাক-আশাক পরে ‘এসো এসো হে বৈশাখ’ এরগানটি গেয়ে মন্দিরের ভিতরেই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ সমিতির বর্ষবরণ

সন্ধ্যায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান । ছোট ছোট ক্ষুদে শিল্পীদের আয়োজনে ‘কচিকাচার খেলাঘর’ এতে অংশগ্রহণ করে রাজশ্রী, তনুশ্রী, বর্ষা, তানিশা, সিসিলিয়া, চিন্ময়, পলা, শ্রীমা এবং তবলায় ইমন ও নিধু রঞ্জন দাস। এরপর বর্ষবরণের দলীয়সূচনা সংগীতের মধ্যে দিয়ে সাংস্কৃতি পর্বের শুরু হয়। রুবী তালুকদারের সংগীত পরিচালনায় অংশগ্রহণে রুবি তালুকদার, রুপু ভৌমিক ,সীমাদেব, সংগীতা ধর, শান্তা সিনহা, মৌসুমী সোম ও লিপি ধর। অননা দেব বিনির নৃত্য পরিচালনয় অংশগ্রহণ করে মিহিকা, মেঘা এবং মানষী। পূজা চৌধুরীর নৃত্য পরিচালনা অংশগ্রহণ করে ভাবনা এবং ব্রিয়া, সিনথিয়া দাসের নৃত্য পরিচালনায়অংশগ্রহণ করে সিনথিয়া এবং সিসিলিয়া, মিত, পিয়াল, শাম, মিথিল এবং রোহান। ঈশিতা দাশের নৃত্য পরিচালনা অংশগ্রহণ করে বীথিকা, পুষ্পিতা, এবং তিথি।পূর্ণিমা দাশের নৃত্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে ওম, মনীশ, শান, সীমা, অন্নেশা এবং ধ্রুবা। জেলি দাসের পরিচালনায় গীতি নাট্য ‘বৈশাখী মেলায়’ অংশগ্রহণ করে পরাগ, তীর্থ, কৃষ্টি ,তিথি, ঋসব, ধ্রুবা, শুভময় এবংপ্রিয়ম। কবিতা আবৃতি করেন সঞ্জীব দাম উত্তম, অতিথি শিল্পী হিসেবেক্লাসিক্যাল নৃত্য পরিবেশন করেন ভারত নাট্যমের শিল্পী রাজেশ চিন্ত্যে। একক নৃত্যে ছিলেন সুপ্রিয়া পাল, একক গানে ছিলেন দিপ্তী পাল, রুবি তালকদার, ঋক ভট্টাচার্য, দেবাশীষ বর্মা এবং দেবপ্রিয়া কর রুমা,।

‘নারী ও রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠান টি পরিচালনা করেন মল্লিকা পাল ও সঞ্জীব দাস উত্তম। অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করেন রাখি চৌধুরী, লিপি , বিজয়া, মামপি ধর, রূপু ভৌমিক , মৌসুমী মোহান্ত জেলি দে, এবং পূর্নিমা দাশ। গ্রুপ যন্ত্র সংগীত,পরিচালনায় ইমন ধর, চিন্ময় ধর, দিব্য ধর, ও চন্দ্রিমা ধর। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন মল্লিকা পাল।

টরন্টোতে প্রাণের উৎসব বর্ষবরণ

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখকে ঘিরে পুরো টরন্টোর বাঙালি কমিউনিটি উৎসবে মেতে ওঠেছিলেন। পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে উপলক্ষ্য করে এলডন রোড সংলগ্ন পার্কিং লটের দেওয়ালে বাংলা সংস্কৃতিকে উপজীব্য করে বর্ণাঢ্য ম্যূরাল আঁকা হয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের মতো বাঙালি পোশা-আশাক পড়ে আর জাতীয় পতাকা নিয়ে শত শত নারী-পুরুষ শিশু-কিশোররা মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করে যা ছিলো মূলধারার মানুষের কাছে আকর্ষণীয়। নতুন বছর ১৪২৪কে বরণ করে নেওয়ার জন্য টরন্টোতে বিভিন্ন সংগঠন ব্যাপক অনুষ্ঠান মালার আয়োজন করে। কানাডার টরন্টো শহরে সকল মৌলবাদী অপশক্তির নাঁক সিটকানো, কুরুচীপূর্ণ মন্তব্য এবং অশরীরী কিছু বাঁধাকে পরাহত করে প্রবাসীরা এবারও বাংলা ১৪২৪ সালের মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে। ১৫ই এপ্রিল, দুপুর থেকে বাংলা টাউন খ্যাত ড্যানফোর্থে বাঙালি শিশু-কিশোর, যুবক-যুবতীসহ আবাল বৃদ্ধ বণিতারা এই শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করে। এসময় এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন বিচেস অব ইস্ট ইয়র্ক এলাকার এমপি ন্যাথানিয়েল এরিস্কিন স্মিথ, এমপিপি আর্থার পটস, কাউন্সিলার জেনেট ডেভিস । সারা দুপুর থেকে রাত অবধি চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

টরন্টোতে শোভাযাত্রা

এলনডন রোডে বৈশাখের মুল আয়োজন হলেও শহরের অন্যান্য স্থানেও আয়োজিত হয় মেলার। মেইন ও জিরাড সড়কের টেড রীভ হকি স্টেডিয়ামে শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত তিন দিন ব্যাপি বৈশাখি মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও ছিল বাঙালিরঢল। এখানে বাংলদেশের খ্যাতিমান শিল্পী বাদশা বুলবুলসহ স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

এ ছাড়া দোম এভিনিউর বাংলাদেশ কানাডা হিন্দু মন্দির প্রাঙ্গনে বাংলাদশে কানাডা হিন্দু কারচারাল সোসাইটির মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল মনোমুগ্ধকর।

টরন্টো ছায়ানট ইটোবিকোক-এর ডন ভ্যাস্কিন ক্যাথলিক স্কুলের অডিটরিয়ামে উদযাপন করে চিরাচরিত বৈশাখী নববর্ষের অনুষ্ঠান। এখানে ছায়ানটের শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন ।

টরন্টোর গ্র্যান্ড প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয় দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব। এতে অতিথি শিল্পী ছাড়াও টরন্টোর স্থানীয় শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। সাংস্কৃতিক আয়োজন ছাড়াও নানা রকমের স্টল সাজিয়ে চিরায়ত বাঙালি সংস্কৃতির আবহ তৈরি করা হয়গ্র্যান্ড প্যালেসের বৈশাখি আয়োজনে। দুইদিনই বিপুল সংখ্যক বাঙালি এই আয়োজন উপভোগ করেন। এছাড়াও টরন্টোতে আরো বেশ ক’টি সংগঠন বর্ষবরণের নান্দনিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব মন্ট্রিয়লের বর্ষবরণ

মন্ট্রিয়লের উইলিয়াম হিংস্টন চত্বরে  ২৩ এপ্রিল উপচে পড়া মানুষের ভীরে পালিত হলো বাংলাদেশ সোসাইটি অব মন্ট্রিয়লের বৈশাখী উৎসব। প্রবেশ দ্বারেই যেন মনে হলো রমনার বটমূল অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সবুজে ঘেরা চির সবুজ এক টুকরো বাংলাদেশ। বৈশাখী শোভা যাত্রা, নানা পদের ও স্বাদের বৈশাখী খাবারে অতিথি আপ্যায়ন, পিঠা, চটপটি, ছোলামুড়ি সহ নানা পদের খাবার স্টল, শাড়ি ও গহনার ঝিলমিল প্রদর্শনী পার্ক এক্সের এই সাংস্কৃতিক বাতিঘরে এনেছিল এক ভিন্ন আমেজ। মুখোশ, ফেষ্টুন, কুলা, ডালা আর ব্যানারে সজ্জিত বর্ণীল বৈশাখী মেলায় অন্যান্যের সাথে অংশ নেন মন্ট্রিয়ল সিটির ডেপুটি মেয়র ম্যাডাম মেরি ডেরস এবং স্নো-ডনের বোরো মেয়র মিঃ মারভীন রট্রান্ড। কোলাহল মুখর মেলা চত্বর, বন্ধুমহলের আড্ডা, ফটোসেশন এবং সন্ধ্যায় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক চমকপ্রদ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সোসাইটির বাংলা বর্ষপূর্তিকে দেয় এক নতুন প্রাণ। স্থানীয় জনপ্রিয় শিল্পীদের পরিবেশনার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের ফ্যাশন শো হল ভর্তি দর্শকদের নজর কারে, অতিথি শিল্পী বাদশা বুলবুলের অনবদ্য পরিবেশনা মুগ্ধ করে প্রিয় দর্শকদের। মন্ট্রিয়লের জনপ্রিয় উপস্থাপক শামসাদ রানা ও লাবলু আকন’র উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত বৈশাখী উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্ব শুরু হয় বিকাল ৫টায় মূল অডিটোরিয়ামে। প্রথমেই শাফিউল ইসলামের নেতৃত্বে সমবেত কন্ঠে পরিবেশিত হয় নতুন বর্ষকে আহবানের সেই চিরন্তন গান “এসো হে বৈশাখ”। এরপর রাত ১১টা পর্যন্ত চলতে থাকে একের পর এক গান, কবিতা, নৃত্য, ফ্যাশন শো এবং সবশেষে আমন্ত্রিত শিল্পীর গান। তারই এক ফাঁকে ছিল সোসাইটির কর্মকর্তাদের সকলের এক সাথে মঞ্চে এসে ধন্যবাদ জ্ঞাপন পর্ব। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের মধ্যে সঙ্গীত পরিবেশন করে ওম দাশ, টনি দত্ত ও ইলমা খন্দকার। পাহাড়ীয়া গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করে সামিয়া আমান।লিমা চৌধুরীর ক্যারিওগ্রাফিতে এ প্রজন্মের এক ঝাঁক নবীন শিল্পী ফ্যাশন শোতে অংশ নেয়। বাঙ্গালী সংস্কৃতীকে প্রবাসী এ প্রজন্ম তুলে ধরে তাদের ফ্যাশন শোতে। দর্শকরা উপভোগ করে নবীন শিল্পীদের এ পরিবেশনা। এছাড়াও আরও একটি মনমুগ্ধকর দলীয় পরিবেশনা দর্শকরা বেশ উপভোগ করে, তা হলো মন্ট্রিয়লের বলিউড ব্লাষ্ট নামক নৃত্য সংগঠনের নৃত্য। ইনা ভৌমিকের নির্দেশনায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেয় বলিউড ব্লাষ্টের তিন নৃত্য শিল্পী ইতিশা চৌধুরী, রামেজ এবং শ্রেয়া।

বাংলাদেশ সোসাইট অব মন্ট্রিয়লে বর্ষবরণের

বড়দের মধ্যে সঙ্গীত পরিবেশন করেন মনিকা মুনা, দেবপ্রিয়া কর রুমা, মৃনাল পিংকু, তানভীর মামুন ও অঞ্জনা ইসলাম। কবিতা আবৃত্তি করেন মুফতি ফারুক, তোতন আফাজউদ্দিন, তৌফিকুর রহমান রাঙা ও শামসাদ রানা। আমন্ত্রিত অতিথি শিল্পীর পরিবেশনার আগে মঞ্চে আসেন আয়োজক সংগঠক বাংলাদেশ সোসাইটি অব মন্ট্রিয়লের সভাপতি কামাল চৌধুরী। তিনি মঞ্চে এসে একে একে ডেকে নেন সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দকে। প্রথমেই মঞ্চে আহবান জানান সংগঠনের ফাউন্ডার সভাপতি এজাজ আকতার তওফিক’কে। জনাব তওফিক সকলকে ধন্যবাদ জানান অনুষ্ঠান সফল করার জন্য এবং ২০১৮’র সোসাইটির নেতৃত্বে যে ফোবানা মন্ট্রিয়ল অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়েও কথা বলেন। এরপর বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মুহিম আহমেদ, সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লাবু, উপদেষ্ঠা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ ও বর্তমান চেয়ারম্যান শাফিউদ্দিন আহমেদ, ব্যবস্থাপক কাজী কাইয়ুম ও সহ সভাপতি শাজাহান শামিম। সভাপতি কামাল চোধুরী কমিটির সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। ধন্যবাদ জানান সকল মিডিয়াকে। সাধারন সম্পাদক মুহিম আহমেদ উপস্থিত সকল দর্শক শ্রোতা সহ যারা সবাই শ্রম ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অবশ্য এর আগে সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এ আয়োজনের গ্র্যান্ড স্পন্সর শরীফ চৌধুরী। রাত সাড়ে আটটায় মঞ্চে আসেন আধুনিক গানের এ সময়ের জনপ্রিয় শিল্পী বাদশা বুলবুল। প্রায় দু’ঘন্টা ধরে তিনি শোনান হারানো দিনের কালজয়ী গান গুলো। এর ফাঁকে ফাঁকে লোক সঙ্গীতও পরিবেশন করেন। উপস্থিত শ্রোতাদের অনুরোধেও বেশ কিছু গান শোনান। সব শেষে অনুষ্ঠিত হয় র‌্যাফেল ড্র। আকর্ষনীয় সব পুরস্কারের আকর্ষনীয় র‌্যাফেল ড্র সকলেই উপভোগ করে।

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়লের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ২৯মে

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়লের বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হবে আগামি ৩০ এপ্রিল রোববারে পার্ক এক্সটেনশনের ৪১৯ সেন্ট রকে। ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়ল ২০ বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায়প্রতিবারের মত এবারো বাংলা নববর্ষ বরণে আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘বৈশাখী মেলা ১৪২৪’।

বিকেল ৪.৩০টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হবে মেলার মূল আয়োজন। বৈশাখী মেলার আয়োজনে থাকছে আকর্ষণীয় সংগীতানুষ্ঠান। এবারের আয়োজনের মূল আকর্ষণ ঢাকা থেকে এসেছেন প্রখ্যাত কন্ঠশিল্পী হৃদয় খান। চাইনা মেয়ে তুমি অন্যকারো হও গানটি দিয়ে খ্যাতি অর্জন করা হৃদয় খান গানের মূর্ছনায় ভাসিয়ে দিতে তার সেরা গান গুলি নিয়ে আসছেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়ল আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে। সাথে থাকছেন বাংলাদেশ থেকে আগত ফোক গানের জনপ্রিয়শিল্পী সেলিনা আক্তার চুমকি। এছাড়া স্থানীয় শিল্পীদেরও থাকছে নান্দনিক অনুষ্ঠানমালা।

সলিডারিটির বর্ষবরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন “মাকসুদ ও ঢাকা” এখন কানাডা’র পথে

কানাডা -বাংলাদেশ সলিডারিটির পূর্বঘোষিত বাংলা বর্ষবরণ ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর প্রস্তুতি সম্পন্ন। বাংলাদেশের লিজেন্ডারি গায়ক বৈশাখী জনপ্রিয় অনেক গান যেমন মেলায় যাইরে………ললনারা হেটে যায়, মৌসুমি কারে ভালোবাসো তুমি’র স্রষ্টামাকসুদুল হক’র “মাকসুদ ও ঢাকা” ব্যান্ড সলিডারিটির আমন্ত্রনে আগামী ৬ মে ২০১৭, ২৩ বৈশাখ ১৪২৪ প্রথম বারের মতো কানাডার মন্ট্রিয়লে বৈশাখী উৎসবে গান করবে। তাঁরা সকলই এপ্রিলের ৪ তারিখে কানাডার ভিসা সংগ্রহ করেছেন এবং তাঁদেরপ্লেনের টিকেটও নিশ্চিত। নর্থ আমেরিকার উদ্দেশ্যে আজকেই বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন। অতএব ৬ মে’র অনুষ্ঠানে শিল্পীদের উপস্থিতি নিয়ে কোন সংশয় নেই, প্রতিশ্রুতি শতভাগ, জানালেন সলিডারিটির সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া। তিনি বলেন, ২০১১ সালে সলিডারিটি প্রতিষ্ঠার পর এযাবৎ কালে এই সংগঠন সর্বাধিক সংখ্যক শিল্পীকে বাংলাদেশ থেকে উড়িয়ে এনে মন্ট্রিয়লে বিনোদন মূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেছে। সলিডারিটির প্রতিটি অনুষ্ঠানেই আমন্ত্রিত শিল্পীদের উপস্থিতি ছিলো শতভাগ।কমিউনিটিকে দেয়া প্রতিশ্রুতি কখনই ভঙ্গ করেনি সলিডারিটি, যার কারনে এই সংগঠনের প্রতিটি প্রোগ্রামে কোন কোন মহলের বিরোধীতা সত্বেও এর সফলতা ও অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করতে পারেনি কেউ। উপচে পড়া মানুষের ভীরে একের পর একসফল অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে কানাডা-বাংলাদেশ সলিডারিটি।

বাংলাদেশ সলিডারিটি আয়োজিত ৬ মে’র অনুষ্ঠানে মাকসুদ ও ঢাকা’ ব্যান্ড দলের

আর আগামীর এই সফলতার পথ চলাকে আরও সুগম করতে শুভ সম্ভাবনার নতুন দিন আনার প্রত্যয়ে ১৪২৪ কে স্বাগত জানাতে মন্ট্রিয়লের সৃজনশীল সংগঠন কানাডা- বাংলাদেশ সলিডারিটি অনুষ্ঠিত করবে বৈশাখী। ৪১৯, সেন্টরক উইলিয়াম হিংষ্টনের মূল লবি ও অডিটোরিয়াম নিয়ে চলবে বৈশাখী মেলা ও সন্ধ্যার সাংস্কৃতিক পর্ব। প্রস্তুতির কাজ চলছে পুরো দমেই বলে আরো জানালেন সলিডারিটির সভাপতি জিয়াউলহক জিয়া। সলিডারিটির সদস্যরা দারুন উদ্যম আর উৎসাহে কাজ করছে নতুন বর্ষকে প্রবাস জীবনে বরণ করে নিতে। মেলায় ষ্টলের ব্যাপারেও ইতিমধ্যেই বেশ সাড়া পাওয়া গেছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। বেশ কিছু নুতন সংযোজনবৈশাখী মেলায় দেখা যাবে বলেও তারা জানান। বাঙালীর বর্ষ বরণের এ উৎসব আয়োজনে অংশ নিতে তাই সকলেরই বেশ আগ্রহ রয়েছে। সন্ধ্যায় মূল মঞ্চে স্থানীয় পর্যায়ের শিল্পীরা সহ থাকবে নতুন প্রজন্মের নান্দনিক পরিবেশনা। এর পর মঞ্চেআসবেন বাংলা ব্যান্ড জগতের তুমুল জনপ্রিয় ব্যান্ড দল ‘মাকসুদ ও ঢাকা’ তার পুরো টিম নিয়ে। যারা রক ও জ্যাজের সাথে ফোক ধারার গানের সম্মিলন ঘটিয়ে ব্যান্ড জগতে এনেছেন নতুন চমক। একাধিক জনপ্রিয় গানের কন্ঠশিল্পী মাকসুদ গানকরবেন এদিন। এ খবরে মন্ট্রিয়লবাসী দারুন আনন্দিত। বৈশাখের আমেজ পূর্ন হবে এদিন, একথা বলেছেন অনেকেই। সলিডারিটির আমন্ত্রনে ভিসা নিয়ে প্রথম বারের মতো মন্ট্রিয়ল বা কানাডায় আসছেন মাকসুদ ও তাঁর দল। মেলায় যায়রে বাসন্তীরঙের শাড়ী পড়ে ললনারা…..এ গান শোনার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন মন্ট্রিয়লবাসী।

এছাড়াও অটোয়া, ভেঙ্কুভার, সাচকাচুয়ানসহ কানাডার বিভিন্ন শহর বাংলা নববর্ষ ১৪২৪কে ঘিরে বিভিন্ন সংগঠন ব্যাপক অনুষ্ঠান মালার আয়োজন করেছে।

ছবি: সিবিএনএ কানাডা

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com