আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি তোমাদের জন্যেও

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ফেইসবুক এর গরম আড্ডা চালাতে পারেন প্রাণের বাংলার পাতায়। আমারা তো চাই আপনারা সকাল সন্ধ্যা তুমুল তর্কে ভরিয়ে তুলুন আমাদের ফেইসবুক বিভাগ । আমারা এই বিভাগে ফেইসবুক এ প্রকাশিত বিভিন্ন আলোচিত পোস্ট শেয়ার করবো । আপানারাও সরাসরি লিখতে পারেন এই বিভাগে । প্রকাশ করতে পারেন আপনাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া।

আমি চিত্রঙ্গদা

কিছু পেতে হলে, কিছু হারাতেই হবে – এই চরম সত্যিটা খুব গভীর ভাবে আমরা উপলব্ধি করেছি দেশকে স্বাধীন করতে গিয়ে। এক পরম পাওয়া – আমারদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কত লোমহর্ষক কাহিনী শুনেছি। অনেক গল্প, উপন্যাস লেখা হয়েছে। হয়েছে অনেক সিনেমা, নাটক এই মুক্তি যুদ্ধের নানা দিক নিয়ে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ চলা কালে পাক বাহিনি তাদের এদেশীয় দোসরদের সহায়তায় যে ঘৃণ্য অত্যাচার চালিয়েছিল আমাদের মেয়েদের উপর, তাঁদের নিয়ে খুব বেশী কিছু হয়েছে কি? আপনাদের কি মনে হয়? সেই সব দুর্ভাগা মা-বোনেরা কি যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে? আমার তো মনে হয় না। আজ আমি তাঁদেরই একজনের গল্প বলব। তাঁর নাম আলেয়া। একজন মুক্তিযোদ্ধা। গল্পটি আমার মায়ের কাছ থেকে শোনা। আম্মা যখন গল্পটি বলছিলেন, শুনতে শুনতে কখন যে আমিও চলে গিয়েছিলাম সেই সময়ে, সেই ঘতনাপ্রবাহের সাক্ষী যেন আমিও, বুঝতেই পারিনি। মনে হল যেন আমার সামনেই সব ঘটছে, সব কিছু। আমি মানস চোখে দেখতে পেলাম যেন —–

১৯৭১ সালের মাঝামাঝি কোন একটা সময়। তখন যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। পাড়ায় পাড়ায় নানা বয়সী ছেলেরা মুক্তিযুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তরুণদের মধ্যে উত্তেজনা সবচে বেশী। ওরা গোপনে মিটিং করত, কিভাবে ওরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেবে। দেশকে স্বাধীন করতেই হবে। আমাদের পাড়ায় যে ছেলেটি ওদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল তার নাম আলি। ২৫/২৬ বছরের টগবগে এক তরুণ ! একদিন ও গোপনে চলে গেল ট্রেনিং নিতে । তারপর সরাসরি যুদ্ধ করবে। এ খবর কিভাবে যেন এ তল্লাটের বাঙ্গালী রাজাকারদের কানে গেল। একদিন রাজাকারদের কয়েকজন আলীদের বাড়ি এসে আলি কোথায় জানতে চাইল। কিন্তু আলীর বাড়ি থেকে কেউ মুখ খুলল না। ওর বাবা শুধু বললেন, আমরা জানিনা, আলী কোথায় আছে। রাজাকারগুলো ওদের নানা রকম ভাবে শাসিয়ে গেল। তার কিছু দিন পরে আলীর ছোট বোন আলেয়া, ১৮/১৯ বছর বয়সের তরুনি। কলেজে বি এ পড়ছে। বিয়ের বয়স তাই এই যুদ্ধের মধ্যেও বিয়ের প্রস্তাব আসা বন্ধ হয়নি । ও তখন এক রকম বাধ্য হয়েই মা’কে খুব ভয়ে ভয়ে বলল যে, ও পাড়ার ছেলে আদিবের সাথে ওর সম্পর্ক আছে। ওরা বিয়ে করবে বলে সিদ্ধান্তও নিয়েছে। ছেলেটি আলির বন্ধু। সেও আলীর মতোই যুদ্ধে গেছে। ওর জন্যেই আলেয়া অপেক্ষা করবে। অন্য কোথাও বিয়ে করা সম্ভব না। এ নিয়ে মা’ ওকে অনেক বুঝিয়েছেন, যে কবে যুদ্ধ শেষ হবে তার ঠিক নেই। ওঁরা কতদিন সমত্ত মেয়ে ঘরে রাখবেন ? দিনকাল খুব খারাপ। মা-বাবা’র ঘুম হয় না রাতের পর রাত। তবু আলেয়া কিছুতেই রাজি হয় না। এসব নিয়ে সেদিন ওর মন খুব খারাপ ছিল। তাই বিকেলে মা’কে বলে পাশের পাড়ায় বান্ধবীর বাড়ি গেল, যদি একটু ভালো লাগে। বলে গেল সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসবে। ফিরছিলও তাই। কিন্তু মাঝ পথে পাড়ারই একটা ছেলে রিপন, ওর কাছে এসে বলল যে, “আলেয়া আপা, আলীর ভাই খুব অসুস্থ, কিন্তু রাজাকারদের ভয়ে সে বাড়ি আসতে পারছেনা। তাই আমাকে বলেছে, আমি যেন আপনাকে আলীর ভাইর কাছে নিয়ে যাই, খুব দরকারি কথা নাকি বলার আছে আপনাকে”। একথা শুনে আলেয়া কোন সাত পাঁচ ভাবল না। মনে হল এক্ষুনি যেতে হবে ওর ভাইজানের কাছে । কিন্তু বাড়িতে বলতে গেলে যদি দেরী হয়ে যায়, তাই না বলেই নির্দ্বিধায় ছেলেটির সাথে হাঁটতে শুরে করলো। এতদিন পরে ভাইজানকে দেখার আকুলতায় তখন ওর খেয়ালই হয়নি যে সন্ধ্যা হতে বেশী দেরি নেই।

পথে আলেয়া রিপনকে জিগ্যেস করলো, “ভাইজান এত দূরে কেন আছে রে?” রিপন বলল, “ঐ যে বললাম, রাজাকারদের ভয়ে। ভয় নাই আলেয়া আপা, আমিতো আছি আপনার সাথে। তাড়াতাড়ি চলেন”।
প্রায় ৩০ মিনিট মত হাঁটার পর ওরা এসে বাড়িটির সামনে পৌছুলো, তখন সন্ধ্যা নেমে গেছে। আলেয়া আসতে আসতেই খেয়াল করেছে, জায়গাটি অপরিচিত, আর বেশ নিরিবিলি। বাড়ীর ভিতরে ঢুকতেই ওর গা ছম ছম করে উঠল। এটি একটি পোড়ো বাড়ি। ভিতরটা আবছায়া অন্ধকার । বারান্দায় কোন বাতি নেই। কয়েকটি ঘরের মধ্যে শুধু একটি ঘরেই আলো দেখতে পেল। রিপন বলল, “আলেয়া আপা, আলী ভাই ঐ ঘরে আছেন । আপনি জান, আমি একটু পরে এসে আপনাকে বাড়ি নিয়ে যাব”। “আচ্ছা” বলে আলেয়া এগিয়ে গেল ঘরের দিকে । ঘরটির ভিতরে পা দিয়ে ভাইজান বলে ডাকতেই দেখল দুজন অপরিচিত লোক ঘরে। ঘরটিতে তেমন কোন আসবাব পত্র নেই। থাকার মধ্যে একটি টেবিল। তার সামনে রাখা চেয়ারে বসে আছে একজন। আর অন্যজন বসে আছে দেয়ালের সাথে লাগান তক্তপোষটার উপরে। টেবিলটির উপরে মিট মিট করে হারিকেন জ্বলছে। সেই আলোয় আলেয়া ভালো করে ঘরের চারপাশে খুঁজল। না, ভাইজান এখানে নেই। ততোক্ষণে ভিতরে ভিতরে ও প্রচণ্ড ভয়ে কাঁপতে শুরু করেছে। কিন্তু ওদের সেটা বুঝতে না দিয়ে অনেক চেষ্টা করে কণ্ঠ স্বাভাবিক রেখে জিগ্যেস করলো, “ভাইজান কোথায়? আর আপনারা কারা”? যে লোকটি বিছানায় বসে ছিল, সে উঠে আসতে আসতে বলল, “তোমার ভাইজান জাহান্নামে, সেখানেই থাকতে দাও। মুক্তিবাহিনীতে নাম লিখিয়েছে। দেশ বাঁচাতে চায়? এবার দেখি বোনের ইজ্জত কিভাবে বাঁচায়?” বলেই লোকটি আলেয়ার কাছে এসে ওকে ধরে নিয়ে গেল বিছানার কাছে। আলেয়ার পায়ের তলার মাটি সরে গেছে তখন। যা বোঝার ও বুঝল, নিজেকে রক্ষা করতে যথা সাধ্য চেষ্টাও করলো, কিন্তু কি করে পারবে নর পিশাচের শারীরিক শক্তির সাথে? ঘৃণায় গা ঘিন ঘিন করছে। কিন্তু ও মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলো যে, ও মরে গেলেও এই জানোয়ারদের কাছে দয়া চাইবে না।

এরপর সারা রাত ধরে ওর উপর চলেছে দুই পশুর পাশবিক নির্যাতন। এরই মাঝে বাবা, মা, ছোট দুটি ভাই বোন, আর ভাইজানের মুখ বার বার ভেসে উঠেছে। না জানি কি অসম্ভব দুশ্চিন্তায় আছেন তাঁরা। আর মনে এসেছে ওর ভালোবাসার মানুষটির মুখ। মনে হল, ও কোন নোংরা নর্দমায় পড়ে আছে রক্তাক্ত অবস্থায় । শরীরটি বিষাক্ত সাপের ছোবলে ক্ষত বিক্ষত। এসব ভাবতে ভাবতে আযান কানে আসতে বুঝল ভোর হয়ে গেছে। ও শুনতে পেল লোক দুটি তখন নিজেদের মধ্যে বলা বলি করছে, নামায পড়ে ক্যাম্পে যাবে, তারপর খান সাহেবকে নিয়ে ফিরে আসবে এখানে। কথাটি শুনে আলেয়া ঘৃণায়, ভয়ে কুঁকড়ে গেল। দু’চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়তে লাগলো। এখন চোখ জ্বালা করছে যেন চোখেও ক্ষত হয়ে গেছে নোনা জল ঝরতে ঝরতে। নিদারুন যন্ত্রণায় ছট ফট করতে করতে নিজের মনে বলে উঠল, খোদা, আরও অত্যাচার বাকী আছে? এই অপমানের চেয়ে তো মরে যাওয়া অনেক ভালো। আল্লাহ্‌ তুমি কি করে দেখছ? এর চেয়ে মরে যাওয়া যে অনেক ভালো। এসব ভাবতে ভাবতে আলেয়া বুকে প্রচণ্ড ব্যাথা হতে থাকে। আর ভাবতে পারছে না। বার বার খেই হারিয়ে যেতে লাগলো ওর ভাবনার। কূল কিনারা খুঁজে পেল না কি করে এদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাবে। একটু পরেই লোক দুটি বেরিয়ে গেল। আলেয়া শুনতে পেল ঘরের দরজায় তালা লাগান হল। একটু পরেই ও অনেক চেষ্টা করলো দরজাটি ভাঙতে, কিন্তু কিছুতেই পারলো না। বাইরে কয়েকজন লোককে কথা বলেতে শুনল। কেউ একজন এসে ওকে বাথরুমে নিয়ে গেল। আবার ঘরে ফিরিয়ে আনার সময়ে বলল, “ওদের পা ধরে ক্ষমা চাও। ভাই আসলে তাকে ওদের হাতে তুলে দেবে এমনটা বল। তাহলে হয়তো ওরা তোমাকে ছেড়ে দেবে”। আলেয়া শুধু বলল, “আপনি আমাকে ছেড়ে দেন। আপনারও তো মা, বোন আছে বাড়িতে”। লোকটি কিছু না বলে ওকে ঘরে ঢুকিয়ে আবার তালা দিয়ে দিল।

ক্লান্তিতে চোখ বুজে এসেছিল। একসময় মনে হল অনেকদূর থেকে অনেক মানুষের কথা ভেসে আসছে। ওর চোখে মুখে কেউ পানির ঝাঁপটা দিচ্ছে। চোখ একটুখানি খুলতেই দেখতে পেল, মা’র ব্যাকুল মুখটি ঝুঁকে আছে ওর মুখের উপর। ওকে চোখ খুলতে দেখে মা ওকে দুহাতে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন । পাশ থেকে বাবা ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন আর বলছেন, “আল্লাহ্‌ বাঁচিয়েছে আমার মেয়েটাকে, আল্লাহ্‌ তুমি এই শয়তানদের বিচার কর”। আলেয়ার তখন মনে পড়লো, দুইজন পাকিস্তানি অফিসার কে নিয়ে ফিরে এসেছিল বাঙ্গালী লোক দুটি। তারপর… আর মনে করতে করতে চায়না ও। কখন জ্ঞান হারিয়েছে, কিভাবে বাড়ি এসেছে ও কিছুই যানেনা। এখন জানতে আর ইচ্ছেও করছেনা। শুধু মনে হচ্ছে মা’কে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়তে। কিন্তু তার আগে যে ওর নোংরা শরীরটাকে ধুতে হবে। ভীষণ ঘৃণা হচ্ছে ওর। কিন্তু এক ফোঁটাও শক্তি নেই ওর উঠে যাবার। ভাবতে ভাবতে আবার ঘুমিয়ে পড়লো।

এরপর ওর জীবনটা একেবারে বদলে গেল। আলেয়া বাড়ি থেকে আর বের হতো না। কারো সাথে কোন কথা বলতো না। সারাদিন সংসারের কাজে নিজেকে ডুবিয়ে রাখতে শুরু করলো। আর রাত জেগে বই পড়ত। একসময় যুদ্ধ শেষ হল। ওর ভাইজান ফিরে এলো দেশ স্বাধীন করে কত আনন্দ নিয়ে। কিন্তু বাড়ি ফিরে সব শুনে বোনকে কোন সান্ত্বনা দিতে পারলো না। শুধু বলল, আমার জন্য আজ তোকে সব হারাতে হল । আমি কি করে তোকে তোর সব কিছু ফেরত দেব? আলেয়া বলে, ও যে দেশ স্বাধীন করে ফিরেছে তাতেই ওর সব পাওয়া হয়ে গেছে। ফিরে এলো ওর ভালোবাসার মানুষটিও। কিন্তু ওদের বিয়েটা আর হল না। ছেলের বাবা, মা এ বিয়েতে রাজি হলেন না । আলেয়া নিজেও ভাবল, ওদের আর কি দোষ। দোষ ওর ভাগ্যের। ও তাই ঠিক করলো ও একাই থাকবে। সমাজে তখন ওর মত মেয়েরা একঘরে হয়ে গেল। এটা যে কোন কলঙ্ক নয়, ওরা যে নিষ্পাপ সেটা আপনজনেরা বুঝত, সমাজের কিছু শিক্ষিত মানুষও বুঝত। কিন্তু, তবু যেন ওরা অস্পৃশ্য হয়ে রইলো।

আমার মা বললেন, আলেয়ার সাথে শেষ দেখা হয়েছে অনেক বছর আগে। দেশ স্বাধীন হবার পরের বছর বাবার বদলী হয়ে যায় অন্য শহরে। তারপর এর তার কাছ থেকে টুকরো খবর পেয়েছে যে, আলেয়া নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে একাই থেকে গেছে। কেউ কেউ কয়েকবার কোন বৃদ্ধ, বিপত্নীকের সাথে বিয়ে দিতে চেয়েছে, কিন্তু আলেয়া রাজি হয়নি। বাবা, মা মারা যাবার পরে ভাইয়ের সংসারের এক কোনে জায়গা করে নিয়েছে। ৬৩ বছর বয়সী আলেয়া এখনও নিজেকে একটি সমাজ কল্যাণ সংস্থার সাথে যুক্ত রেখেছে।

হঠাৎ খেয়াল করে দেখি আমার মা’র দুচোখে পানি। আমি মা’কে জড়িয়ে ধরলাম। বললেন ওরা এত সহ্য করলো, কিন্তু ওদের প্রাপ্য সম্মান ওরা পেল না। রাষ্ট্র ওঁদের “বীরাঙ্গনা” খেতাব দিয়েছে। খেতাবে কি হবে? সম্মানই তো পেল না কোথাও! কতজন আছে শুনেছি, যারা লজ্জায় নিজেকে আড়ালে রেখেছে। কতজন অযত্নে অবহেলায়, অসুস্থ হয়ে পড়ে আছে। সরকার চাইলে কি পারে না এদের সমাদর করতে?

অনেক প্রশ্ন বিজয় দেখা আমার মায়ের মনে। আমার কাছে সেসবের কোন উত্তর নেই। আমি ভাবছি, ৪৫টা বছর আমরা স্বাধীন হয়েছি। কত রকমের আয়োজন, উৎসবে মেতে উঠি আমরা। শুধু খেতাব দিয়ে আর বিশেষ বিশেষ দিনে তাঁদের মঞ্চে উঠিয়ে, কয়েকটা ভারী ভারী কথা বলে আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য সেরে ফেলি! এটুকুতে কি তাঁদের ঋণ আমরা শোধ করতে পারবো?

আমার মানচিত্র জুড়ে এক বিশাল প্রশ্নবোধক চিহ্ন জল জল করে।

 ছবি: গুগল

 

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com