আত্মহত্যা রুখতে ফেইসবুকের নতুন উদ্যোগ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ফেসবুক হলো সোশ্যাল নেটওয়ার্ক জায়ান্ট। বাসে-ট্রেনে চলতে ফিরতে তাদের একমাত্র সঙ্গী এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। তবে এই ফেসবুক ঘিরেই শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক। ফেসবুকের নিত্য নতুন  ফিচারের আতিশয্যে বেড়ে চলেছে নানা অপরাধ। বেড়ে চলেছে আত্মহত্যার প্রবনতাও। এই প্রবনতাই দূর করার জন্য ফেসবুকে এক আমুল পরিবর্তন করলেন মার্ক জুকারবার্গ। অত্যাধুনিক কিছু টুলসের ব্যবহারের মাধ্যমে এই প্রবনতা কাটানোর চেষ্টা করছে ফেসবুক। এই জন্য ফেসবুকের লাইভ স্ট্রিমিং ফিচার, লাইভ এবং ম্যাসেঞ্জারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। জানুয়ারিতে ফ্লোরিডার ১৪ বছরের একটি মেয়ে মানসিক অবসাদের কারনে আত্মহত্যা করে। এই পুরো বিষয়টি সে ফেসবুক লাইভ করে দেখায়। এই ক্ষেত্রেই একটি বিশেষ কৃত্রিম ব্যবস্থা আনছে ফেসবুক। যেখানে ফেসবুক এক বিশেষ পদ্ধিতির মাধ্যমে তার ব্যবহারকারীকে মনিটর করতে পারবে। বিশেষ পদ্ধতিতে নজর রাখতে পারবে ব্যবহারকারীর উপর। এরফলে আত্মহত্যার যেকোনও সম্ভাবনা হয়তো সহজেই বানচাল করা সম্ভব, একটি অফিসিয়াল ব্লগস্পটে এমনটাই জানিয়েছে ফেসবুক।
সমীক্ষা জানাচ্ছে, বিশ্বের মোট যুবক যুবতিদের মৃত্যুর একটি বড় কারনই হল আত্মহত্যা।  বিশেষত ১৫ থেকে ২৯বছর বয়সীদের মধ্যে এই আত্মহত্যার প্রবনতা বিশেষভাবে লক্ষনীয়। ১৯৯৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আত্মহত্যার প্রবনতা প্রায় ২৪শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেসবুকের মতন এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট গুলিই কেড়ে নিচ্ছে তরতাজা প্রাণ। ফেসবুকে ৩০ মিলিয়ন মৃত লোকের ইউজার একাউন্ট আছে।
সারা বিশ্বে ফেসবুক ব্যবহারকারীর মোট সংখ্যা ১১৫ কোটি ছাড়িয়েছে অনেক আগেই। আর তা আশঙ্কারও জন্ম দিচ্ছে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, যারা খুব বেশি ফেসবুক ব্যবহার করেন, তারা নতুন একটি ব্যাধিতে ভুগছেন। তারা এ আসক্তির নাম দিয়েছেন ‘ফেসবুক অ্যাডিকশন ডিসঅর্ডার’।

ছবি ও তথ্যঃ ইন্টারনেট।

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন amar@pranerbangla.com